আট বছরের জন্য নিষেধাজ্ঞা পেয়েছিলেন আগেই। আপিল করায় সেটা কমে হয়েছিল ছয় বছর। মিশেল প্লাতিনির একমাত্র ভরসা ছিল আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালত (সিএস)।

সেখানে শাস্তিটা মওকুফ হয়ে গেলে আবার ফিরতে পারতেন উয়েফায়। কিন্তু সেটা আর হচ্ছে না। সর্বোচ্চ ক্রীড়া আদালত প্লাতিনির আগের ছয় বছরের শাস্তি কমিয়ে চার বছর করেছেন, কিন্তু বাতিল করেননি।

তার মানে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠেয় ২০১৬ ইউরোতেও এখন দর্শক হয়ে থাকতে হবে প্লাতিনিকে। ২০১৯ সালের পরবর্তী ফিফা নির্বাচনেও আর প্রার্থী হতে পারবেন না।

সেপ ব্ল্যাটারের সঙ্গে একটা আর্থিক লেনদেন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিল প্লাতিনির বিরুদ্ধে। সে জন্য গত বছর ফিফার নৈতিকতা কমিটি প্লাতিনির বিরুদ্ধে আরোপ করে আট বছরের নিষেধাজ্ঞা।

ফিফায় আপিল করে সেটি দুই বছর কমাতে পেরেছিলেন ফরাসি কিংবদন্তি। পরে নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য সিএএসের কাছে আবেদন করেন।

সিএএস জানিয়েছে, প্লাতিনির আর্থিক অনিয়ম তাদের চোখে খুব বেশি গুরুতর নয়। সে জন্যই শাস্তিটা দুই বছর কমানো হয়েছে। তবে প্লাতিনি ‘চরম অবিচার’বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন এই রায়।

এক বিবৃতিতে উয়েফা সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণাও দিয়েছেন প্লাতিনি, ‘সব জাতীয় ফেডারেশনের সঙ্গে আলোচনা করে আমি উয়েফা সভাপতি হিসেবে পত্যাগ করছি। আমি এখন সুইস আদালতে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণের চেষ্টা করব।’

নিষেধাজ্ঞার পর প্লাতিনির অবর্তমানে স্পেন ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি আনহেল মারিয়া ভিলার উয়েফার ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু ইউরোতে উয়েফাপ্রধান হিসেবে কে থাকবেন, সেটাই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

এমই