২০১০ সালে ইংল্যান্ড সফরে স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে ক্যারিয়ারকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দেন আমির।

পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে গত বছরের শেষ দিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফিরেন বাঁহাতি প্রতিভাবান এ ক্রিকেটার।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেই নিজের হারানো জায়গা ফিরে পেতে ব্যাকুল আমির। দারুণ বোলিং করে নিয়মিত পাকিস্তানকে সাফল্য এনে দিচ্ছেন। অটোমেটিক চয়েজ হিসেবে ইংল্যান্ড সফরে পাকিস্তান দলে আমির।

ক্যারিয়ারের অর্ধেকটা যেখানে শেষ করেছিলেন সেখানে ফিরে আলো ছড়ালেন মোহাম্মদ আমির। কাউন্টি দল সমারসেটের বিপক্ষে তিনদিনের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে পাকিস্তান। আগে ব্যাটিং করে পাকিস্তান ইউনুস খানের ১০৪ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ৮ উইকেটে ৩৫৯ রানে ইনিংস ঘোষণা করে। জবাবে সমারসেট মাত্র ১২৮ রানে গুটিয়ে যায়।

ইংলিশ দলটির শিবিরে শুরুতেই আঘাত করেন আমির। নিজের প্রথম ওভারে ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ওপেনার মার্কোস ট্রেসকোথিকের থেকে দুটি বাউন্ডারি হজম করেন আমির। কিন্তু নিজের তৃতীয় ওভারে প্রতিশোধ নেন। উইকেটের পেছনে ট্রেসকোথিককে তালুবন্দি করানোর পরের ওভারে অ্যাডাম হোসকে ক্লিন বোর্ড করেন আমির। ৪ ওভারে ১৫ রানে ২ উইকেট তুলে নেন আমির।

নিজের দ্বিতীয় স্পেলের প্রথম ওভারে আবারও উইকেট পান ২৪ বছর বয়সি এ পেসার। ১৭তম ওভারে বোলিং করতে এসে পিটার ট্রেগোকে সরাসরি বোল্ড করেন। এরপর দারুণ বোলিং চালিয়ে যান পাকিস্তানের এ পেসার।

কিন্ত উইকেটের স্বাদ পাননি। ইংল্যান্ডে ফিরে ১১ ওভারে ২ মেডেনে ৩৬ রানে ৩ উইকেট নিয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার কথা তার।

ব্যাটিংয়ে নিজের দ্বিতীয় বলে আউট হন আমির। এদিকে আমিরের পাশাপাশি বল হাতে দূত্যি ছড়ান সোহেল খান। ২৬ রানে ৩ উইকেট নেন ডানহাতি এ পেসার। ২টি করে উইকেট নেন রাহাত আলী ও ইয়াসির আলী।

আগামী ৮ জুলাই সাসেক্সের বিপক্ষে হোভে দ্বিতীয় তিনদিনের ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান। এরপর ১৪ জুলাই ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে দলটি।

এফএফ