পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) টানা দ্বিতীয় অর্ধশতক পেয়েছেন বাংলাদেশের ড্যাশিং ওপেনার তামিম ইকবাল। তার দল পেশোয়ার জালমিও জিতেছে টানা দুই ম্যাচ।
আর বাংলাদেশীদের এমন সাফল্য বিতর্কিত রমিজ রাজার গায়ে কাঁটার মত বিঁধছে। সাকিবের পর তামিমকেও নিয়ে কটাক্ষ করেছেন তিনি।
৫ ফেব্রুয়ারি সাকিবে ভর করে ম্যাচ জেতে করাচি। ব্যাটে অর্ধশতক আর বল ঘুরিয়ে উইকেট নেয়ায় ম্যাচসেরাও হন তিনিই। সেই ম্যাচে পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার ও ধারাভাষ্যকার রমিজ রাজা প্রথমেই ম্যাচসেরা হিসেবে ঘোষণা করেন ক্যারিবীয় ওপেনার লিন্ডে সিমন্সের নাম।
সিমন্সও এগিয়ে যান, এরপরই রমিজ বলে বসেন, 'ওহ, তুমি না, ম্যাচসেরা হয়েছেন বাংলাদেশী সাকিব আল হাসান।' এ নিয়ে বেশ বিব্রত হন সিমন্স। সাকিবকেও পুরস্কার নিতে গিয়ে খুব একটা সপ্রতিভ মনে হয়নি।
আর শনিবারের ম্যাচে তো ধারাভাষ্যকার রমিজ রাজা ম্যাচসেরা তামিম ইকবালকে জিজ্ঞেস করেন, 'আমি তো তোমার ভাষা বুঝি না। ইংরেজি হলে চলবে না উর্দু?' জবাবে তামিম মুচকি হেসে বলেন, 'ইংরেজি হলেই চলবে'।
পরে নিজের খেলা সম্পর্কে তামিম বলেন, ‘আমি বেশ ছন্দে আছি। শুরুটাও দারুণ হয়েছে। শুক্রবার কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল। তবে, আজ (শনিবার) বেশ ভালো টাইমিং করতে পারছিলাম। ইনিংসটা বেশ উপভোগ করেছি। তাছাড়া শহিদ আফ্রিদিও যেভাবে দলটাকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, সেটাও দুর্দান্ত।'
তবে রমিজের এমন আচরণে প্রশ্ন তুলে ক্রিকেটপ্রেমীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলছেন, এটা নিছকই একজন ক্রিকেটারকে বিব্রত করার অসৎ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। পিসিএলে তামিম বিদেশি খেলোয়াড় বলে স্বাভাবিকভাবেই অন্যদের মতো তিনিও ইংরেজিতে কথা বলবেন। তাছাড়া, এমন নয় যে তামিম ক্রিকেটে একেবারেই নবাগত। রমিজ রাজাও তামিমকে প্রথমবার দেখেননি বা এটাই তার প্রথমবার ক্যামেরার সামনে কথা বলা নয়।
ক্ষোভ ঝেড়ে ক্রিকেটপ্রেমীরা বলছেন, বরাবরই বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ক্রিকেটবিরোধী রমিজ রাজা স্বেচ্ছায় এই নিন্দিত আচরণ করেছেন।
এ আচরণে ক্ষুব্ধ সাংবাদিক ও সাহিত্যিক ইশতিয়াক আহমেদ তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, “রমিজ রাজা, আসল ছাগল...”
ইউরোপে অধ্যয়নরত ক্রিকেটপ্রেমী রাফিউল সাব্বির বলেন, “একটা ক্রিকেট লিগ, যেখানে প্রচুর বিদেশি প্লেয়ার খেলতেছে, সেখানে একজন ধারাভাষ্যকার বিদেশি প্লেয়ারের কাছে কেন জানতে চাইবে কোন ভাষায় কথা বলবো, সেইটা বোধগম্য না। পাকিস্তানি ছাগলগুলা ইংরেজি পারে না, সো পাকিস্তানি না হইলে সে ইংরেজিতে কথা বলবে, হিসাব শেষ।... রমিজ রাজার ছাগলামি দিন দিন সীমা ছাড়ায়ে যাচ্ছে...!”
ওএফ





