২২৮ রানের জয়ের লক্ষে ব্যাট করতে নেমে ৭ উইকেট হারিয়ে দুই বল বাকি থাকতে ৩ উইকেটে জয় পায় পাকিস্তান।
এ জয়ে সেরা চারে উঠে এলো পাকিস্তান। ৮ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ৯ পয়েন্ট। ৭ ম্যাচে ৮ পয়েন্ট তুলে নেওয়া ইংল্যান্ড নেমে এলো এক ধাপ নিচে। ৭ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ষষ্ঠ স্থানে নেমে গেল বাংলাদেশ। অন্যদিকে টানা অষ্টম ম্যাচে হারল আফগানিস্তান। বিশ্বকাপে টানা হারের রেকর্ডও এটি। পাকিস্তানের আর একটি ম্যাচ বাকী। ৫ জুলাই শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলবে দলটি।
পাকিস্তানের অভিজ্ঞতার কাছেই হেরে গেল আফগানিস্তান। পাকিস্তানের অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ যখন রান আউট হয়ে ফিরলেন, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ তখন স্পষ্টতই আফগানদের দখলে ছিল। জিততে হলে তখনও ১১ ওভারে ৭১ দরকার পাকিস্তানের। স্বীকৃত ব্যাটসম্যান বলতে কেউ নেই।
কিন্তু পুরো টুর্নামেন্টে অনুজ্জ্বল স্পিন-অলরাউন্ডার ইমাদ ওয়াসিম দেখা দিলেন রুদ্রমূর্তিতে। খেলার মোড় এমনভাবেই ঘোরালেন এই অলরাউন্ডার যে, ম্যাচ থেকেই ছিটকে গেল আফগানিস্তান।
শেষ ১২ বলে পাকিস্তানের দরকার ছিল ১৬ রান। তখনও ম্যাচটা ফিফটি-ফিফটি অবস্থায়। কিন্তু ফাস্ট বোলার ওয়াহাব রিয়াজ আফগান স্পিনার রশিদ খানের শেষ ওভারে ১ ছক্কা মেরে রানের চাপ কমিয়ে দিলেন। ওই ওভারে এলো ১০ রান।
শেষ ওভারে ৬ রানে ৬ রানের মতো সহজ লক্ষ্য পাড়ি দিতে মোটেই কষ্ট হলো না ইমাদ ওয়াসিমের। গুলবাদিন নাঈবের করা ওই ওভারের চতুর্থ বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন এই লোয়ার-অর্ডার ব্যাটসম্যান।
এই জয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থ স্থানে চলে গেল পাকিস্তান। আর পাঁচে নেমে গেল ইংল্যান্ড। এক ধাপ নিচে নেমে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ষষ্ঠ স্থানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
আফগানিস্তান একাদশ: ৫০ ওভারে ২২৭/৯ (রহমত ৩৫, গুলবাদিন ১৫, শাহিদি ০, ইকরাম ২৪, আসগর ৪২, নবি ১৬, নাজিবউল্লাহ ৪২, সামিউল্লাহ ১৯*, রশিদ ৮, হামিদ ১, মুজিব ৭*; ওয়াসিম ১০-০-৪৮-২, আমির ১০-১-৪১-০, আফ্রিদি ১০-০-৪৭-৪, হাফিজ ২-০-১০-০, ওয়াহাব ৮-০-২৯-২, শাদাব ১০-০-৪৪-১)
পাকিস্তান একাদশ: ৪৯.৪ ওভারে ২৩০/৭ (ফখর ০, ইমাম ৩৬, বাবর ৪৫, হাফিজ ১৯, হারিস ২৭, সরফরাজ ১৮, ওয়াসিম ৪৯*, শাদাব ১১, ওয়াহাব ১৫*; মুজিব ১০-১-৩৪-২, হামিদ ২-০-১৩-০, গুলবাদিন ৯.৪-০-৭৩-০, নবি ১০-০-২৩-২, রশিদ ১০-০-৫০-১, সামিউল্লাহ ৮-০-৩২-০)
ফল: পাকিস্তান ৩ উইকেটে জয়ী
ম্যান অব দা ম্যাচ: ইমাদ ওয়াসিম
এমবি





