উইমেন’স প্রিমিয়ার লিগের প্রথম আসরের নিলাম হয়ে গেল সোমবার। চোখধাঁধানো অঙ্কে এখানে দল পেয়েছেন ভারতের ও অন্যান্য অনেক দেশের ক্রিকেটাররা। মেয়েদের ক্রিকেটের পালাবদলের সূচনা মনে করা হচ্ছে এই নিলাম ও এই লিগকে।
পাকিস্তানের কোনো ক্রিকেটারের এখানে দল পাওয়ার সুযোগই ছিল না। কারণ, নিলামের তালিকায়ই রাখা হয়নি তাদের। ছেলেদের আইপিএলেও সেই ২০০৮ সালে প্রথম আসরের পর পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের আর সুযোগ দেওয়া হয়নি। মূলত দুই দেশের রাজনৈতিক বৈরিতার প্রভাবই পড়েছে এখানে। রাজনৈতিক কারণেই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এই দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বন্ধ হয়ে আছে বছরের পর বছর ধরে।
ক্রিকেটওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফোর সঙ্গে আলাপচারিতায় মুমতাজ হতাশা প্রকাশ করেন তার উত্তরসূরীদের এই লিগে না দেখে।
“পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের এখানে দেখতে না পাওয়াটা ভীষণ দুর্ভাগ্যজনক। প্রতিটি সুযোগই হওয়া উচিত ন্যায্য ও ব্যাপক। মেয়েদের ক্রিকেটের মান আরও উন্নত করা ও বৈশ্বিকভাবে খেলাটিকে আরও গড়ে তোলার প্রতিটি সুযোগই সামগ্রিকভাবে একটি পদক্ষেপ। আরও যেটা গুরুত্বপূর্ণ, ক্রিকেট খেলুড়ে দেশগুলোর মানের পার্থক্য অনেকটা ঘুচিয়ে দিতে পারে এই সুযোগুলো।”
চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ শেষে পাকিস্তান অধিনায়ক বিসমাহ মারুফকেও জিজ্ঞেস করা হয় এই প্রসঙ্গ নিয়ে। তিনিও হতাশা আর অসহায়ত্ব প্রকাশ করেন তখন।
“আমরা পাকিস্তানি ক্রিকেটাররা দেশের বাইরে লিগ খেলার সুযোগ খুব একটা পাই না এবং সেটা দুর্ভাগ্যজনক। সুযোগ পেলে অবশ্যই আমরা খেলতে চাইব এবং লিগগুলোয় যতটা সম্ভব সুযোগ আমরা পেতে চাই। কিন্তু হ্যাঁ, এটাই বাস্তবতা এবং তা আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।”
পাকিস্তানের ছেলেদের পিএসএল শুরু হয়েছে সোমবার থেকে। মেয়েদের জন্যও এবার থেকে লিগ শুরু হওয়ার কথ ছিল। কিন্তু পিসিবির ক্ষমতার পালাবদলে রমিজ রাজার জায়গায় নাজাম শেঠি বোর্ড প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার পর উদ্যোগটি আপাতত থমকে আছে।
বাংলাদেশের ৯ জন ক্রিকেটার ছিলেন নিলাম তালিকায়। তবে দল পাননি একজনও।
৫ দল নিয়ে উইমেন’স প্রিমিয়ার লিগের প্রথম আসর হবে আগামী ৪ থেকে ২৬ মার্চ, মুম্বাইয়ের তিনটি মাঠে।
এনএইচ





