বাফুফে সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন আগে আল-আমিনের শাস্তির বিষয়টি জানিয়েছে ফিফা।
জাতীয় দলের জার্সিতে এখন পর্যন্ত মাত্র দুটি ম্যাচ খেলেছেন আল-আমিন। বয়সভিত্তিক জাতীয় দলেও খেলেছেন এই স্ট্রাইকার। আন্তর্জাতিক ফুটবলে ক্যারিয়ার খুব বেশি দীর্ঘ না হলেও এরই মধ্যে বড় ধরনের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়লেন তিনি।
এর আগেও নিষেধাজ্ঞার শাস্তি পেয়েছিলেন আল-আমিন। ২০২০-২১ মৌসুমে প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের হয়ে খেলার সময় ম্যাচ ফিক্সিংয়ের ঘটনায় এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন তিনি।
এবারের ঘটনা অবশ্য মাঠের সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে। গত ৭ জুন মালদ্বীপ ফুটবলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘ডায়মন্ড জুবিলি ফুটবল টুর্নামেন্টে’ স্বাগতিক মালদ্বীপের বিপক্ষে মাঠে নামে বাংলাদেশ অলিম্পিক দল।
ম্যাচের একপর্যায়ে বল দখলের লড়াইয়ে বাংলাদেশের পিয়াস আহমেদের সঙ্গে সংঘর্ষে পড়ে যান মালদ্বীপের খেলোয়াড় হাসান ইনাজ। রেফারি সেকারান সেন্থিলনাথন মালদ্বীপের পক্ষে ফ্রি-কিকের সিদ্ধান্ত দিলে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের খেলোয়াড়রা।
রেফারির একাধিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে ম্যাচজুড়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে দুই দলের খেলোয়াড়েরা মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।
ওই ঘটনায় বাংলাদেশের আল-আমিন ও মিরাজুল ইসলাম লাল কার্ড দেখেন। শেষ পর্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়।
এবার সেই ঘটনার জেরেই ফিফার শাস্তির মুখে পড়লেন আল-আমিন। ১৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা তার আন্তর্জাতিক ফুটবল ক্যারিয়ারে বড় ধাক্কা হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
এস