মিরপুর শের-ই-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ক্রিকেটের অন্যতম সেরা ধ্রুপদী লড়াই দেখার অপেক্ষায় ক্রিকেটপ্রেমীরা। শনিবার এশিয়া কাপের ম্যাচে খেলতে নামবে ক্রিকেটের দুই পরাশক্তি ও চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল ভারত-পাকিস্তান।
যেখানে লড়াইটা হবে মূলত ভারতের ব্যাটিং আর পাকিস্তানের বোলিং শক্তির মধ্যে। এর আগে টি২০ ক্রিকেটে দুই দলের কিছু পরিসংখ্যান দেখে নেওয়া যাক। যথারীতি ভারতের বিখ্যাত ব্যাটিং লাইন আর পাকিস্তানের অসাধারণ বোলিং লাইনের প্রভাব রয়েছে এ পরিসংখ্যানেও।
৬- টি২০ ক্রিকেটে দুই দল এ পর্যন্ত ৬ বার মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ৫বার জয়ী হয়েছে ভারত। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে দুই দলের প্রথম মুখোমুখি লড়াই ড্রতে নিষ্পত্তি হওয়ায় সুপার ওভারে ফলাফল নির্ধারণ হয়েছিল। এতে জয় পেয়েছিল ভারত। ওইবার জোহানেসবার্গে ফাইনাল ম্যাচে পাকিস্তানকে হারিয়েই শিরোপা জিতেছিল ধোনিবাহিনী। ২০১২ সালের টি২০ বিশ্বকাপেও শ্রীলংকার মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৮ উইকেটের জয় পায় ভারত। তবে ওইবছরই পরাজয়ের বৃত্ত ভাঙ্গে পাকিস্তান। ব্যাঙ্গালোরে স্বাগতিকদের ৫ উইকেটে পরাজিত করে তারা। তবে একইবছর আহমেদাবাদে ১১ রানে ও ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ঢাকায় পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারায় ভারত।
১৫০- দুই দেশের লড়াইয়ে কোনো ব্যাটসম্যানের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রান এটি। বিরাট কোহলি ৪ ম্যাচে ৭৫ গড়ে সংগ্রহ করেছেন এ রান।
৭৮- বিরাট কোহলি দুই দেশের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান সংগ্রহ করেছেন। ২০১২ সালের বিশ্বকাপে কলম্বোয় অপরাজিত ছিলেন তিনি ৭৮ রানে।
২- দুই দলের টি২০ লড়াইয়ে সর্বোচ্চ দুটি ফিফটি করেছেন মোহাম্মদ হাফিজ। ২০১২ সালে ভারতে দ্বিপক্ষীয় সিরিজের দুই ম্যাচে ৬১ ও ৫৫ রান করেছেন তিনি।
১১- দুই দেশের লড়াইয়ে সর্বোচ্চ ১১ উইকেট নিয়েছেন উমর গুল। ৬ ম্যাচে ১৬.১৮ গড়ে ১১ উইকেট নেন তিনি।
২৬১- দুই দেশের বোলারদের মধ্যে পাকিস্তানের আফ্রিদি (৯১), গুল (৮৫) ও আজমলের (৮৫) যৌথ উইকেট সংখ্যা। তিনজনই টি২০ ক্রিকেটের সর্বোচ্চ ৩ উইকেট শিকারী।
৪- এখন অব্দি দুই দলের টি২০ লড়াইয়ে মাত্র ২ বোলার এক ইনিংসে ৪ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। ২০১২ সালে উমর গুল আহমেদাবাদে ৩৭ রানে ৪টি উইকেট নিয়েছিলেন। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপে ডারবানে মোহাম্মদ আসিফ ১৮ রানে ৪ উইকেট নেন। আর ভারতের পক্ষে ভুবেনেশ্বর কুমার ৯ রানে ৩ উইকেট নেন ২০১২ সালে ব্যাঙ্গালোরে।
৭- দুই দলের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭ ছক্কা যুবরাজ সিংয়ের। ৩৬ বলে ৭২ রানের ইনিংসটি খেলেছিলেন তিনি আহমেদাবাদে ২০১২ সালে।
এমএম





