বিশ্বকাপের তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও পাকিস্তান।

শুক্রবার অ্যাডিলেড ওভালে টস জিতে আগে ব্যাট করছে পাকিস্তান। অবশ্য ১৫৪ রানের মধ্যেই ৬ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছে মিসবাহ-উল-হকের দল।

৩৭ ওভার শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৬ উইকেটে ১৬৭ রান। ব্যাট করছেন শোয়েব মাকসুদ ও ওয়াহাব রিয়াজ ।

আউট হয়ে ফিরে গেছেন সরফরাজ আহমেদ (১০), আহমেদ শেহজাদ (৫), মিসবাহ-উল-হক (৩৪) হারিস সোহেল (৪১) উমর আকমল (২০) ও শহীদ আফ্রিদি (২৩)।

ইনিংসের পঞ্চম ওভারের চতুর্থ বলে দলীয় ২০ রানে সরফরাজ আহমেদকে সাজঘরে ফেরান মিচেল স্টার্ক। সরফরাজকে প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো শেন ওয়াটসনের ক্যাচে পরিণত করেন এই অসি পেসার। ১৬ বলে এক চারে ১০ রান করেন সরফরাজ।

এরপর স্কোরবোর্ডে আর ৪ রান জমা হতেই বিদায় নেন আরেক ওপেনার আহমেদ শেহজাদ। জশ হ্যাজেলউডের বলে দ্বিতীয় স্লিপে মাইকেল ক্লার্কের হাতে ক্যাচ তুলে দেন তিনি। শেহজাদের সংগ্রহ ১৩ বলে ৫ রান।

ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে আউট হতে গিয়েও বেঁচে গেছেন মিসবাহ। হ্যাজেলউডের বল মিসবাহর পেছন দিয়ে লেগ স্ট্যাম্প ছুঁয়ে যায়, স্ট্যাম্পের এলইডি আলোও জ্বলে ওঠে। কিন্তু বেল পড়েনি। ফলে বেঁচে যান পাক অধিনায়ক।

জীবন ফিরে পেয়ে তৃতীয় উইকেটে হারিস সোহেলের সঙ্গে দলের হাল ধরেন মিসবাহ। ফিফটি রানের জুটি গড়ে দলকে ভালোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন দুজন। কিন্তু ইনিংসের ২৪তম ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বলে মিডউইকেটে ছক্কা মারতে গিয়ে অ্যারন ফিঞ্চের তালুবন্দি হন মিসবাহ। ৫৯ বলে এক চার ও ২ ছক্কায় ৩৪ রান করেন তিনি। হারিসের সঙ্গে তার জুটিতে আসে ৭৩ রান।

মিসবাহর বিদায়ের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি হারিস। দলীয় ১১২ রানে মিচেল জনসনের বলে উইকেটরক্ষক ব্র্যাড হাডিনের গ্লাভসবন্দি হন তিনি। ৫৭ বলে ৪টি চারের সাহায্যে ৪১ রান করেন হারিস। এরপর দ্রুতই সাজঘরে ফেরেন উমর আকমল (২০)। দলীয় ১২৪ রানে ম্যাক্সওয়েলের বলে ফিঞ্চের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি।

এরপর সপ্তম ব্যাটসম্যান হিসেবে শহীদ আফ্রিদি ক্রিজে এসে ধুমধাড়াক্কা ব্যাটিং শুরু করলেও বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি। দলীয় ১৫৮ রানে হ্যাজেলউডের বলে ফিঞ্চের তালুবন্দি হন আফ্রিদি। ১৫ বলে ৩ চার ও এক ছক্কায় ২৩ রান করেন তিনি।

উল্লেখ্য, এই ম্যাচের জয়ী দল দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে খেলবে।

২০১১ সাল থেকে অ্যাডিলেডে ছয়টি ওয়ানডে খেলে ৪টিতেই হেরেছে অস্ট্রেলিয়া। জিতেছে বাকি দুই ম্যাচে।

কেএইচ