প্রথম ওয়ানডেতে লিটন দাস সেঞ্চুরি। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে সেঞ্চুরিসহ ব্যাটে আগুন ঝরালেন ওপেনার তামিম ইকবাল। খেললেন ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস। তামিমের রেকর্ডে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৩২২ রানের ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ।

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় খেলায় পাহাড়সম টার্গেট তাড়া করতে নেমে ৬৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপাকে সফরকারী জিম্বাবুয়ে।

দলীয় ১৫ রানে রেগিস চাকাভাকে সাজঘরে ফেরান শফিউল ইসলাম। ৯.৩ ওভারে ৪৪ রানে জিম্বাবুয়ের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান ও সাবেক অধিনায়ক ব্রেন্ডন টেলরকে দুর্দান্ত থ্রোতে রান আউটের ফাঁদে ফেরেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

বাঁচা-মরার লড়াইয়ের দিনে হাল ধরতে পারেননি অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান শেন উইলিয়ামসও। ২৪ বলে মাত্র ১৪ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। তার বিদায়ে ৬৭ রানে প্রথম সারির ৩ ব্যাটসম্যানের উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা।

প্রথমে ব্যাটিংয়ে নেমে তামিম ইকবালের সেঞ্চুরি আর মুশফিকুর রহিমের ফিফটির সুবাদে ৮ উইকেটে ৩২২ রানের পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। ওয়ানডে ক্রিকেটে দেশের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৫৮ রানের ইনিংস খেলেন তামিম। তার ইনিংসটি ১৩৬ বলে ২০টি চার ও ৩ ছক্কায় সাজানো।

এই ইনিংস খেলার পথে তামিম নিজেই নিজের রেকর্ড ভাঙেন। এর আগে ২০০৯ সালে এই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষেই দেশের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১৫৪ রানের ইনিংসে খেলেছিলেন তামিম।

মঙ্গলবার তামিম ছাড়াও দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন মুশফিকুর রহিম। তিনি ৫০ বলে ৬টি চারের সাহায্যে ৫৫ রান করে আউট হন। ৫৭ বলে ৪১ রান করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মাত্র ১৮ বলে ৩টি চার ও এক ছক্কায় অপরাজিত ৩২ রান করেন মোহাম্মদ মিঠুন।

বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ৩২২/৮ 

(তামিম ১৫৮, লিটন ৯, শান্ত ৬, মুশফিক ৫৫, মিঠুন ৩২, মাহমুদউল্লাহ ৪১, মিরাজ ৫, মাশরাফি ১, তাইজুল ০, শফিউল ৫ ; মুম্বা ১০-০-৬৪-২, টিশুমা ৫-০-৩৫-১, ট্রিরিপানো ৮-০-৫৫-২, মাটুমবোদজি ৩-০-৩৪-০, উইলিয়ামস ৭-০-৩৫-০, সিকান্দার ১০-০-৫৯-০)।

এমবি