আজহার আলীর সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে রানের পাহাড় গড়েছিল পাকিস্তান। ৩ উইকেটে ৫৭৯ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেছিলেন মিসবাহ-উল-হক। ওই ইনিংসে ৩৫৭ রান তোলা ওয়েস্ট ইন্ডিজ ফলোঅনে পড়লেও তা না করিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিংটা সেরে ফেলে পাকিস্তান।
এ যাত্রায় দেবেন্দ্র বিশুর ৮ উইকেট শিকারে মিসবাহ বাহিনী ১২৩ রানে অলআউট হয়ে যায়। তাই জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের সামনে লক্ষ্য দাঁড়ায় ৩৪৬ রানের। এই টার্গেট নিয়েও সহজ ম্যাচটা কঠিন করে জিতলো পাকিস্তান। ঝাঁকুনি খেয়েই মিসবাহর দল জয় পেয়েছে ৫৬ রানে।
পঞ্চম ও শেষ দিনে জয়ের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রয়োজন ছিল ২৫১ রান। পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৮ উইকেট। মোহাম্মদ আমির, মোহাম্মদ নওয়াজ ও ইয়াসির শাহের বোলিং তোপে দিনের শুরুটা ভালোই ছিল পাকিস্তানের। আমিরের শিকার হওয়া মারলন স্যামুয়েলস সাজঘরে ফেরেন মাত্র ৪ রান করে। ১৫ রান করা ব্লাকউডকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মোহাম্মদ নওয়াজ।
পঞ্চম উইকেটে রস্টন চেজকে (৩৫) নিয়ে ৭৭ রানের জুটি গড়ে দলকে সঠিক পথেই রাখেন একপ্রান্ত আগলে রাখা ড্যারেন ব্রাভো। এরপর অধিনায়ক জেসন হোল্ডারকে নিয়ে ৬৯ রানের পার্টনারশিট গড়ে ক্যারিবিয়দের জয়ের স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ইয়াসির শাহের ঘূর্ণিতে ব্রাভো সাজঘরে ফিরলে আশার প্রদীপ নিভে যায়। ম্যাচটা জিতে নেয় পাকিস্তান। ৪০ রানের অপরাজিত ছিলেন হোল্ডার।
পাকিস্তানের পক্ষে আমির নেন তিনটি উইকেট। মোহাম্মদ নওয়াজ ও ইয়াসির শাহ নেন দুটি করে উইকেট। আর একটি উইকেট দখলে যায় ওয়াহাব রিয়াজের। ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন ত্রিপল সেঞ্চুরি করা আজহার আলী।
এমএনজে





