অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম কোনো সফরে বাংলাদেশে এসেছেন বিরাট কোহলি। ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে মাহেন্দ্র সিং ধোনি অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ালে সহ-অধিনায়ক কোহলি ক্যাপ্টেন কুলের স্থলাভিষিক্ত হন।
তবে ২০১৪ সাল নয়, ২০১২ সালে বিরাট কোহলির অধিনায়ক হওয়ার সুযোগ এসেছিল। তখন যারা বোর্ড কর্মকর্তা ছিলেন তারাও কোহলিকে অধিনায়ক করতে একবাক্যে রাজি ছিলেন। শুধু রাজি ছিলেন না একজন।
তিনি আর কেউ নন ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের সাবেক সভাপতি এন শ্রীনিবাসন। মাহেন্দ্র সিং ধোনিকে তিনি ভীষণ পছন্দ করেন। তার স্নেহধন্য ধোনি। সে কারণেই তিনি চাননি ধোনির পরিবর্তে কোহলি অধিনায়ক হোক।
বোর্ড সভাপতি চাননি তাই ২০১২ সালে কোহলির অধিনায়কও হওয়া হয়নি। এমনটাই জানিয়েছেন ২০১১-১২ সালে বোর্ডের অন্যতম নির্বাচক রাজা ভেঙ্কট।
কোহলির ২০১২ সালে অধিনায়ক হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কোহলিকে ওয়ানডেতে অধিনায়ক ইচ্ছা আমাদেরও ছিল। চেষ্টাও করেছিলাম আমরা। কিন্তু তখন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন শ্রীনিবাসন। তাই আমাদের প্রচেষ্টা বিফলে যায়।’
২০১১ সালের ঘটনা। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৫ ম্যাচ টেস্ট সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে ভারত। এমন বাজে পারফরম্যান্সের কারণ খুঁজে বের করতে দুই নির্বাচক অস্ট্রেলিয়া যান। ভারত দলে দলাদলি হওয়ার বিষয়টি তারা খুঁজে পান এবং রিপোর্ট দেন।
তখন এমন একজন অধিনায়ককে খুঁজছিল সবাই যিনি দলের মধ্যে ঐক্য আনতে পারবেন। আর সেক্ষেত্রে কোহলিকেই সবাই নির্বাচন করেছিল।
এ বিষয়ে ভেঙ্কট বলন, ‘ওয়ানডে সিরিজের আগে আমাদের মনে হয়েছিল দলে একজন নতুন অধিনায়ক আসা উচিৎ৷ যে দলাদলি থামিয়ে ঐক্য ফেরাতে পারবে। আর সেই কাজটার জন্য কোহলিকেই যোগ্য মনে হয়েছিল আমাদের কাছে।
তবে বিদেশে খেলতে যাওয়া দলের হঠাৎ অধিনায়ক পরিবর্তনের জন্য বোর্ড সভাপতির সম্মতির প্রয়োজন ছিল। সেক্ষেত্রে শ্রীনিবাসনের কাছ থেকে আমরা সবুজ সংকেত পাইনি। তাই কোহলিকে অধিনায়কও বানাতে পারিনি।’
এসএইচ





