[b]শারজা: [/b]শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ টেস্টের শেষে দিনে ৩০২ রানের লক্ষ্য তাড়া করে এক অবিশ্বাস্য জয়ে পেয়েছে পাকিস্তান। এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় ইতি টানল মিজবাহ উল হকের দল।
সোমবার ৩০১ রানের লিডে শ্রীলঙ্কার ইনিংস শেষ হলে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। শুরু থেকে ওয়ানডে স্টাইলে খেলতে থাকে তারা। ৫০ রানের আগে দুটি উইকেট হারালেও আজহার আলীর সেঞ্চুরি ও অধিনায়ক মিসবাহ উল হকের অপরাজিত ৬৮ রানের সুবাদে পাঁচ উইকেটের জয় পায় পাকিস্তান।
১৩৩ রানের সঙ্গে পাঁচ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ দিনের খেলা শুরু করে শ্রীলঙ্কা। ৬ রানে প্রসন্ন জয়াবর্ধনে ও ১৪ রানে অধিনায়ক অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ব্যাটিং ক্রিজে নামেন। এদিন ৫৬ রান যোগ করলে এই জুটি ভাঙে। ৩১ রানে মোহাম্মদ তালহার দ্বিতীয় শিকার হন ম্যাথুস।
প্রসন্ন এরপর এগিয়ে নিতে থাকেন দলকে। কিন্তু ষষ্ঠ ফিফটি থেকে এক রানের আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। ৮৮ বলে ৪৯ রানে তাকে মাঠছাড়া করেন সাঈদ আজমল।
এর আগে আব্দুর রেহমানের স্পিনে ৯১তম ওভারে পরপর দিলরুয়ান পেরেরা ও রঙ্গনা হেরাথ আউট হন। ৩ রানে শামিন্দা এরাঙ্গা আজমলের কাছে আউট হলে গুটিয়ে যায় লঙ্কানরা।
রেহমান দ্বিতীয় ইনিংসে সবচেয়ে বেশি চার উইকেট নেন। তিনটি করে পান তালহা ও আজমল।
মধ্যাহ্নবিরতির পর জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ৯৭ রানের মধ্যে তিন উইকেট হারায় পাকিস্তান। কিন্তু সরফরাজ আহমেদের সঙ্গে ৮৯ ও মিসবাহর সঙ্গে ১০৯ রানের জুটি গড়ে দলকে আকাঙ্ক্ষিত জয় এনে দেন আজহার।
অবশ্য পঞ্চম টেস্ট শতক হাঁকিয়ে জয় থেকে সাত রান দূরে থাকতে আউট হন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ১৩৭ বলে ১০৩ রান আসে তার ব্যাটে। মিসবাহ টানা দ্বিতীয় ফিফটি হাঁকিয়ে অপরাজিত ছিলেন। ক্যারিয়ারের ২৫তম হাফ সেঞ্চুরি পাওয়া পাকিস্তানি অধিনায়ক ব্যক্তিগত ৬৮ রানে টিকে ছিলেন। সরফরাজের ৪৮ রানও দারুণ অবদান রাখে। এই ইনিংসে তিন উইকেটি নেন লঙ্কান বোলার সুরাঙ্গা লাকমল।
খেলা
অবিশ্বাস্য জয়ে সিরিজে ইতি টানল পাকিস্তান
শারজা: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শেষ টেস্টের শেষে দিনে ৩০২ রানের লক্ষ্য তাড়া করে এক অবিশ্বাস্য জয়ে পেয়েছে পাকিস্তান। এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজ ১-১ সমতায় ইতি টানল মিজবাহ উল হকের দল।





