দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচে ভালোই লড়াই করেছিলেন ইমরুল কায়েস আর মুশফিকুর রহীম। কিন্তু ইমরান তাহির উপর্যুপরি ২ উইকেট নিয়ে চাপে ফেলে দিয়েছেন বাংলাদেশকে। ইমরুল কায়েস ৬৮ আর সাকিব আল হাসান ৫ রানে আউট হয়েছেন। মুশফিকুর রহীম ৫৯ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন। বাংলাদেশের স্কোর ৩২ ওভারে ১৮০ রান।

এর আগে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৫৩ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা।

আশা জাগিয়ে ফেরেন তামিম ইকবাল
ইনজুরি থেকে ফেরা তামিম ইকবাল বেশ আশা জাগিয়েছিলেন। স্বাগতিক দলের বিশাল স্কোরের জবা বদিতে নেমেছিলেন তামিম ইকবাল আর ইমরুল কায়েস। এই জুটি ৪৪ রানও করে ফেলেছিল। কিন্তু তারপর ছন্দপতন। তামিম ইকবাল বিদায় নেন। ২৫ বলে ২৩ রান করে তিনি বিদায় নেন। এরপর লিটন দাস ১৪ রান করে বিদায় নেন।

গিবস-স্মিথকে পেছনে ফেললেন আমলা-ডি ভিলিয়ার্স
ওয়ানডে ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সেঞ্চুরির জুটিতে এখন সেরা হাশিম আমলা ও এবি ডি ভিলিয়ার্স। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে তৃতীয় উইকেটে ১০৮ বলে ১৩৬ রান যোগ করেন আমলা ও ডি ভিলিয়ার্স।
এই নিয়ে ১২তম বারের মত জুটিতে সেঞ্চুরি করলেন আমলা ও ডি ভিলিয়ার্স। প্রোটিয়াদের ওয়ানডে ক্রিকেটে জুটিতে সেঞ্চুরির দিক দিয়ে এটি সর্বোচ্চ। ফলে পেছনে পড়ে গেলেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক দুই খেলোয়াড় হার্সেল গিবস ও গ্রায়েম স্মিথের জুটির রেকর্ড। নিজেদের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ১১বার একসাথে সেঞ্চুরির জুটি গড়েছিলেন গিবস ও স্মিথ।

৪৩ ইনিংসে একসাথে ১২বার সেঞ্চুরির জুটি গড়ে ৩০৯১ রান করেছেন আমলা-ডি ভিলিয়ার্স। ১১বার সেঞ্চুরির জুটি গড়ে ৩৬০৭ রান করেছে এ ক্ষেত্রে দ্বিতীয়স্থানে গিবস-স্মিথ। জুটিতে এই তালিকায় সর্বোচ্চ রান আমলা ও কুইন্টন ডি ককের। ১০বার সেঞ্চুরির জুটি গড়ে ৭৮ ইনিংসে ৩৭৫৪ রান করেছেন আমলা-ডি কক।

ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা ইনিংস ডি ভিলিয়ার্সের
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১০৪ বল মোকাবেলা করে ১৭৬ রান করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক এবি ডি ভিলিয়ার্স। এটিই তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা ব্যক্তিগত ইনিংস। ডি ভিলিয়ার্সের আগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসটি ছিলো অপরাজিত ১৬২ রান। ২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে সিডনিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১৭টি চার ও ৮টি ছক্কায় ১০৩ বলে অপরাজিত ১৬২ রান করেন ডি ভিলিয়ার্স।

এ ম্যাচ দিয়েই বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ও ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ২৫তম সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়েছেন ডি ভিলিয়ার্স। সেঞ্চুরির দিক দিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে দ্বিতীয়স্থানে রয়েছেন তিনি। ২৬টি সেঞ্চুরি নিয়ে সবার উপরে আছেন তারই বর্তমান সতীর্থ হাশিম আমলা।

পার্লে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে চার নম্বরে ব্যাট হাতে নেমে ১০৪ বল মোকাবেলা করে ১৫টি চার ও ৭টি ছক্কায় নিজের দানবীয় ইনিংসটি সাজান ডি ভিলিয়ার্স।
ওয়ানডে ক্রিকেটের এক অনন্য রেকর্ডের মালিক হয়ে আছেন ডি ভিলিয়ার্স। ওয়ানডে ক্রিকেটে দ্রুত সেঞ্চুরির মালিক তিনি। ২০১৫ সালে জোহানেসবার্গে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩১ বলে সেঞ্চুরির স্বাদ নেন ডি ভিলিয়ার্স। তার ঐ ইনিংসে ১৬টি ছক্কা ও ৯টি চার ছিল।

ডি ভিলিয়ার্সের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশকে ৩৫৪ রানের টার্গেট দিলো দক্ষিণ আফ্রিকা
সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে জয়ের জন্য বাংলাদেশের লক্ষ্য ৩৫৪ রান। এবি ডি ভিলিয়ার্সের মারমুখি সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৫৩ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। মাত্র ৬৮ বলে সেঞ্চুরি পাওয়ার পর শেষ পর্যন্ত ১৫টি চার ও ৭টি ছক্কায় ১০৪ বলে ১৭৬ রানে আউট হন ভিলিয়ার্স

বাংলাদেশের পক্ষে রুবেল হোসেন ৬২ রানে ৪টি ও সাকিব আল হাসান ৬০ রানে ২ উইকেট নেন।

এমএ