বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্কটল্যান্ডকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে শ্রীলঙ্কা।

বুধবার হোবার্টের ব্যালিরিভ ওভালে স্কটল্যান্ডকে ৩৬৪ রানের লক্ষ্য বেধে দেয় শ্রীলঙ্কা। জবাবে ৪৩.১ ওভারে ২১৫ রান সংগ্রহ করতেই স্কটিশদের ইনিংস গুটিয়ে যায়। ফলে ১৪৮ রানে জয় পায় লঙ্কানরা।

এই জয়ের ফলে মোট ছয় ম্যাচে ৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে শ্রীলঙ্কা। এক ম্যাচ করে কম খেলে সমান ৭ পয়েন্ট অর্জন করে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে আছে অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশ। ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছে নিউজিল্যান্ড।

এদিন প্রথমে ব্যাট করে কুমার সাঙ্গাকারা ও তিলকারত্নে দিলশানের সেঞ্চুরিতে ৯ উইকেট ৩৬৩ রান করেছে টস জয়ী শ্রীলঙ্কা। এই ম্যাচে সেঞ্চুরির মাধ্যমে ওয়ানডের ইতিহাসে টানা ৪ সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন সাঙ্গাকারা।

ব্যাট করতে নেমে দলীয় ২১ রানের মধ্যেই প্রথম উইকেট হারিয়েছে তারা। ইভান্সের বলে মমসেনের হাতে তালুবন্দী হয়েছেন ওপেনার লাহিরু থিরিমান্নে (৪ রান)।

শুরুতে উইকেট হারালেও রানের গতি স্লথ হয়নি শ্রীলঙ্কার। দিলশান ও অভিজ্ঞ কুমার সাঙ্গাকারার ব্যাটিংয়ে লড়াইয়ের বড় পুঁজি পেয়েছে লঙ্কানরা। দুই জনই সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। ডাবির বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেওয়ার আগে ১২৪ রান করেছেন সাঙ্গাকারা। এর মাধ্যমে বিশ্বকাপ তথা ওয়ানডের হিসেবে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে টানা চতুর্থ সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন তিনি। আর দিলশান করেছেন ১০৪ রান। তিনিও আউট হয়েছেন ডাবির বলে।

তাদের বিদায়ের পর অধিনায়ক ম্যাথুস (৫১) ও কুশল পেরেরা (২৪) ব্যাটে ৯ উইকেটে ৩৬৩ রান করেছে তারা।

জবাবে দলীয় রানের খাতা খোলার আগে কোয়েটজারকে হারায় স্কটল্যান্ড। বাংলাদেশের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে দিশেহারা স্কটিশদের ৪৪ রানে নেই তিন উইকেট।

চতুর্থ উইকেটে মমসেন ও কোলেম্যান ১২৮ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক বিপর্যয়ের হাত থেকে দলকে রক্ষা করেন। কিন্তু ৬০ রান করা মমসেন বিদায় নেয়ার পর কোলেম্যানও সাজঘরে ফিরে যান। মাঠ ছাড়ার আগে ৭০ রান করেন তিনি। দলের পক্ষে এটিই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর।

এ দু'জনের পর বেরিংটন ২৯ রান করলেও শেষদিকে কেউই রানের খাতায় দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেনি।

শ্রীলঙ্কার বোলার কুলসেকেরা ও প্রসন্ন সর্বোচ্চ তিনটি করে উইকেট পান।

জেডআই