২০১৫ বিশ্বকাপের আগে অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে দ্বিতীয় ও শেষ প্রস্তুতি ম্যাচেও হেরেছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে ৬ উইকেটে হেরেছে সফরকারীরা।
অ্যালান বোর্ডার মাঠে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই রান আউট হয়ে বিদায় নেন এনামুল হক। এরপর উইকেটরক্ষক জিমি পিয়েরসনের গ্লাভসবন্দি হয়ে ফিরেন সৌম্য সরকার।
২৩ রানে দুই উদ্বাধনী ব্যাটসম্যানের হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশ বিপদ পড়ে মুমিনুল হক, সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের দ্রুত বিদায়ে।
৫৭ রানে ৫ উইকেট হারানো বাংলাদেশ প্রতিরোধ গড়ে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ও সাব্বির রহমানের ব্যাটে। এই দুই জন গড়েন ৬৪ রানের জুটি।
তবে হ্যারি কনওয়ের পরপর দুই বলে সাব্বির ও মাহমুদুল্লাহর বিদায়ে আবার চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ১২১ রানে প্রথম সাত ব্যাটসম্যানকে হারানো অতিথিদের দুইশ’ রানের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব অর্ধশতক করা নাসির হোসেনের।
অষ্টম উইকেটে নাসিরের সঙ্গে ৬০ রানের জুটি গড়েন আরাফাত সানি। তার বিদায়ের পর নাসিরও দ্রুত ফিরে গেলে ১৯৩ রানেই গুটিয়ে যায় অতিথিদের সংগ্রহ।
জবাবে ৪ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌছে যায় ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ। চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপে ফেরার প্রক্রিয়ায় থাকা অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্কের সঙ্গে পিয়েরসনের ৬৯ রানের উদ্বোধনী জুটি স্বাগতিকদের ভালো সূচনা এনে দেয়।
পিয়েরসনকে বিদায় করেন সৌম্য। এরপর বেশিক্ষণ টিকেননি ক্লার্কও। ৩৪ রান করে সাব্বিরের বলে মুশফিকের ক্যাচে পরিণত হন তিনি।
দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের পর আর দুই ব্যাটসম্যানকে হারায় স্বাগতিকরা। কিন্তু অধিনায়ক অ্যাশটন টার্নার ও বেন ম্যাকডারমট দলকে সহজ জয় এনে দেন। টার্নার ৭১ ও ম্যাকডারমট ১৮ রানে অপরাজিত থাকেন।
চোটের কারণে এই ম্যাচেও খেলেননি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে চোট পাওয়ায় সতর্কতার অংশ হিসেবে খেলেননি অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ও পেসার তাসকিন আহমেদ।
এর আগে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ৫ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ।
বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। ক্যানাবেরায় ১৮ ফেব্রুয়ারি তাদের বিপক্ষে খেলবেন মাশরাফিরা।
এর আগে আগামী সোমবার পাকিস্তান ও বৃহস্পতিবার আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে মাশরাফিরা।
জেডআই





