১৭৬ রানের বিশাল লক্ষ্য। নিজেদের টিকিয়ে রাখতে হলে এই লক্ষ্য পাড়ি দিতে হবে জিম্বাবুয়েকে। কিন্তু জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দারুণ ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে গেছে জিম্বাবুয়ে। স্কোরবোর্ডে ৪০ রান যোগ করতে না করতেই টপ অর্ডারের ৫ ব্যাটসম্যানকে হারিয়েছে তারা।

এরআগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ওভারে সাত উইকেটে ১৭৫ রান করে বাংলাদেশ। ব্যাট করতে নেমে অভিষিক্ত নাজমুল হোসেন শান্তকে নিয়ে বাংলাদেশকে ভালো শুরু এনে দেন লিটন কুমার দাস।

গত দুই ম্যাচে পাওয়ার প্লেতে চার উইকেট হারানো বাংলাদেশ আজ উদ্বোধনী জুটিতে তোলে ৪৯ রান। অবশ্য নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জ্বলে উঠতে পারেননি শান্ত। কাইল জার্ভিসের বলে সহজ ক্যাচ তুলে দিয়ে ফিরেন ১১ রানে।

ওপেনিং সতীর্থকে হারিয়ে বেশিক্ষণ টিকলেন না লিটন দাস। ষষ্ঠ ওভারে ক্রিস এমপোফুর বল উড়িয়ে মারতে গিয়ে তিনিও ক্যাচ দিয়ে আসেন। ফেরার আগে দুই ছক্কা আর চার বাউন্ডারিতে ২২ বলে ৩৮ রান করেন লিটন।

এই ম্যাচেও ব্যর্থ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। প্রথম দুই ম্যাচে ১ ও ১৫ রানের পর এবার ১০ রানে ফিরলেন তিনি।

পরপর তিন উইকেট হারানোর পর মাহমুদউল্লাহ-মুশফিকের ব্যাটে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। মাত্র ৩৯ বলে পঞ্চাশ স্পর্শ করে চতুর্থ উইকেটের এই জুটি। ছুটতে থাকা এই জুটি থামে দলীয় ১৪৩ রানে। ১৭তম ওভারে মুশফিকের ফেরায় ভাঙে ৭৮ রানের এই জুটি। ফেরার আগে তিন বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ২৬ বলে ৩২ রান করেন মুশফিক।

মুশফিক ফিরেলও উইকেটে টিকে ছিলেন মাহমুদউল্লাহ। তাঁর দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ওভারে সাত উইকেটে জিম্বাবুয়ের সামনে ১৭৬ রানের লক্ষ্য দাঁড় করায় বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত ৬২ রানে থামেন মাহমুদউল্লাহ। ৪১ বলে তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল এক বাউন্ডারি ও পাঁচ ছক্কা দিয়ে। এরমাঝে মাত্র ৩৭ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফ-সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন মাহমুদউল্লাহ।

জিম্বাবুয়ের পক্ষে বল হাতে ৩২ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন কাইল জার্ভিস। চার ওভারে ৪২ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন এমপোফু। এক ওভার বোলিং করে রায়ান বার্লও নেন একটি উইকেট।

এএস