বিশ্বকাপের পর একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে হ্যাটট্রিক সিরিজ জয়ের রেকর্ড গড়ল বাংলাদেশ। পাকিস্তান ও ভারতের পর দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষেও সিরিজ জিতে নিল তারা। একই সঙ্গে দেশের মাটিতে টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ জয়ের রেকর্ড গড়ল তারা।
বুধবার চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বৃষ্টি বাধায় ম্যাচটি ৪০ ওভারে নির্ধারিত করা হয়। নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান সংগ্রহ করে দক্ষিণ আফ্রিকা। বৃষ্টি আইনে স্বাগতকিদের লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৭০ রান।
জবাবে সৌম্য সরকারের ও তামিম ইকবালের অর্ধশতকে ২৬.১ ওভারে ৯ উইকেটের জয় তুলে নেয় টাইগাররা। এতে ২-১ তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজ জিতে নেয় মাশরাফিরা।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই প্রোটিয়া বোলারদের উপর আক্রমাণত্মক ছিলেন সৌম্য সরকার। আর ঠাণ্ডা মাথায় দেখে-শুনে ব্যাট করতে থাকেন তামিম ইকবাল।
ক্ষিপ্র গতিতে এগিয়ে চলা সৌম্য দ্রুতই হাফ সেঞ্চুরির পর সেঞ্চুরির দিকে এগিয়ে যান। তবে ১০ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ থেকে বিদায় নিতে গত ম্যাচ ৮৮ রানে অপরাজিত থাকা এই ব্যাটসম্যানের। ইমরান তাহিরের বলে আমলার তালুবন্দী হওয়ার আগে ৭৫ বলে ১৩টি চার ও একটি ছক্কায় ৯০ রান করেন সৌম্য।
তার বিদায়ের মধ্য দিয়ে ভেঙে যায় বাংলাদেশের ১৫৪ রানের জুটি। তবে তামিম দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। ৭৭ বলে সাতটি চারে ৬১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন তিনি। তার সঙ্গে ৫ রান নিয়ে খেলা শেষ করেন লিটন দাস।
এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে মাশরাফিদের বোলিং তোপে পড়ে প্রোটিয়া ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ৫০ রানের মধ্যে একে একে মাঠ থেকে বিদায় নেন ডি কক (৭), ডু প্লেসিস (৬), আমলা (১৫) ও রুশো (১৭)।
মিলার ও ডুমিনি জুটি দলকে কিছুটা স্বস্তি এনে দেন। বৃষ্টির পর মিলারের আউট হওয়ার আগে তাদের জুটি থেকে আসে ৫৩ রান। ৫১ বলে পাঁচটি চারে ৪৪ রান করেন মিলার। শেষ বলে মাঠ থেকে বিদায় নেয়ার আগে ৭০ বলে ৫১ রান করেন ডুমিনি।
বাংলাদেশের বোলার সাকিব তিনটি উইকেট পান। দুটি করে উইকেট নেন মুস্তাফিজ ও রুবেল। অধিনায়ক মাশরাফি ও মাহমুদল্লাহ নেন বাকি দুটি উইকেট।
জেডআই





