২০০৬ সালে অভিষেকের পর থেকে ইংলিশ বোলিং লাইনআপের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন ব্রড। বিদায়বেলায় তার রেকর্ডের ঝুলিটাও বেশ সমৃদ্ধ। ইংলিশ ক্রিকেটের ইতিহাসে সব ফরম্যাট মিলিয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ (৮৪৫) উইকেট আছে তার। অ্যাশেজের পঞ্চম টেস্টের শেষ ইনিংসে সংখ্যাটা আরও বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ থাকছে তার সামনে।

সবমিলিয়ে পেসারদের মধ্যে চতুর্থ সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি তিনি। তারচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন কেবল পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরাম (৯১৬), অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাকগ্রা (৯৪৯) এবং ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসন (৯৭৭)।

ক্রিকেটের সব ফরম্যাটে ৪ হাজারের বেশি রান এবং ৮০০ উইকেটের কীর্তি আছে কেবল ৪ জনের। তাদের মাঝে একজন স্টুয়ার্ট ব্রড। ক্রিকেটের এই এলিট ক্লাবের বাকিরা হলেন দক্ষিণ আফ্রিকার শন পোলক, পাকিস্তানের ওয়াসিম আকরাম এবং অস্ট্রেলিয়ার শেন ওয়ার্ন।

ইংল্যান্ডের হয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেয়ার কীর্তিতেও তালিকার দুইয়ে আছেন ব্রড। টেস্টের সাদা পোশাকের ইতিহাসে পেসার হিসেবে সবচেয়ে বেশি উইকেট নেয়ার হিসেবেও দুই নাম্বারে আছেন ব্রড (৬০২ উইকেট), শীর্ষে যথারীতি জেমস অ্যান্ডারসন (৬৯০) উইকেট।

ইংল্যান্ডের হয়ে অ্যাশেজ খেলাকে নিজের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর অনুভূতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্টুয়ার্ট ব্রড। বিদায়টাও নিচ্ছেন সেই অ্যাশেজের মঞ্চ থেকেই। এই সিরিজেও আছে তার অনন্য কীর্তি। ইংলিশ বোলারদের মধ্যে অ্যাশেজে সবচেয়ে বেশি (১৫১) উইকেট শিকার করেছেন তিনিই।

একমাঠে সবচেয়ে বেশি উইকেটের তালিকাতেও আছে ব্রডের নাম। ক্রিকেটের মক্কা খ্যাত লর্ডসে ১৩০ উইকেট পেয়েছেন তিনি। এই তালিকায় শীর্ষে আছেন বাংলাদেশের সাকিব আল হাসান। মিরপুরের হোম অভ ক্রিকেটে তার উইকেট ২৪৭ টি।

বোলার হিসেবে ক্যারিয়ার পার করলেও ব্যাটিংয়ের রেকর্ডেও আছেন স্টুয়ার্ট ব্রড। টেস্টে নয় নাম্বার ব্যাটার হিসেবে সর্বোচ্চ ইনিংসের তালিকায় দ্বিতীয়তে আছেন তিনি। ২০১০ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে নয় নাম্বারে নেমে খেলেছিলেন ১৬৯ রানের ম্যারাথন ইনিংস।

এমআই