আইসিসি ২০১৫ বিশ্বকাপে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে সহজ লক্ষ্যে বেধে দিলেও বল হাতে শুরুতেই উইকেট নিল নিউজিল্যান্ড।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১.৪ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ২ রান সংগ্রহ করেছে অস্ট্রেলিয়া। ক্রিজে আছেন ওয়ার্নার (২) ও স্টিভ স্মিথ (০)।
কিউইদের দেয়া ১৮৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে বোল্টের হাতে ফিরতি ক্যাচ তুলে দিয়ে বিদায় নিয়েছেন অ্যারোন ফিঞ্চ (০)।
রোববার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ৪৫ ওভার ১৮৩ রান সংগ্রহ করতেই গুটিয়ে যায় টস জয়ী নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।
এদিন উদ্বোধনী ওভারের তৃতীয় বলে সরাসরি বোল্ড করে কিউই অধিনায়ক ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে সাজঘরে পাঠিয়েছেন অসি বোলার মিশেল স্টার্ক।
১২তম ওভারে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের দ্বিতীয় বলে বোল্ড হয়ে মাঠ থেকে বিদায় নেন ওপেনার মার্টিন গাপটিল। অসি বোলারদের তোপে ৩৪ বলে ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি তিনি।
১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে জনসনের হাতে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে মাঠ থেকে বিদায় নেন ওয়ানডাউনে খেলতে নামা কেন উইলিয়ামসন। ৩৩ বলে মাত্র ১২ রান করেন তিনি।
দলীয় ৩৯ রানে তিন উইকেট হারিয়ে মহাচাপে পড়ে যাওয়া প্রথমবারের মতো ফাইনালে খেলা নিউজিল্যান্ড।
এরপর কিউইরা তাকিয়ে থাকেন সেমি-ফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ব্যাট হাতে দলকে জয় এনে দেয়া ইলিয়টের দিকে।
রস টেইলরের সঙ্গে ব্যাট হাতে ধৈর্যশীল ব্যাটিং শুরু করেন তিনি। কিন্তু আম্পায়ারের এলবিডব্লিউ'র ভুল সিদ্ধান্তে মাঠ থেকে বিদায় নেয়ার উপক্রম হয়। অবশেষে রিভিউ'তে সেই যাত্রা থেকে মুক্তি পান তিনি।
ব্যাট হাতে জবাবটি ভালোই দিয়েছেন। হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করে এগিয়ে ২২ গজের এক প্রান্ত আগলে রাখেন। তবে ফকনার শেষ পর্যন্ত তাকে মাঠে টিকতে দেননি। অষ্টম উইকেটে হ্যাডিনের হাতে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে ৮২ বলে সাতটি চার ও একটি ছক্কায় ৮৩ রান করেন তিনি।
বিপরীতে টেস্ট স্টাইলে ব্যাট করা রস টেইলর ৭২ বলে মাত্র ৪০ রান করে ৩৬তম ওভারে জেমস ফকনারের প্রথম বলে উইকেটরক্ষক ব্রাড হ্যাডিনের তালুবন্দী হন।
একই ওভারের তৃতীয় বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরে যান সদ্য মাঠে নামা কোরি অ্যান্ডারসন। ফকনারের ওভারে আউট না হলেও পরের ওভারে স্টার্কের বলে ক্লার্কের হাতে ক্যাচ দিয়ে শূন্য হাতে মাঠ থেকে বিদায় নেন লুক রঞ্চি। ২১ বলে ৯ রান করা ভেট্টরিকে বোল্ড করে দেন মিশেল জনসন।
অস্ট্রেলিয়ার বোলার জনসন ও ফকনার তিনটি করে উইকেট পান।
জেডআই





