দুই দলের দুই মূল তারকাই ছিলেন না মাঠে। মিসর দলের প্রাণভোমরা যদি মোহাম্মদ সালাহ হন, তবে উরুগুয়ের মূল ভরসাও তো লুইজ সুয়ারেজ। আজ মাঠে অনুপস্থিত ছিলেন দুজনই। দুই তারকার অনুপস্থিতিতেও সমতা থাকলেও খেলায় সমতা থাকেনি। শেষ মুহূর্তের গোলে মিসরকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে উরুগুয়ে।

এটুকু পড়ে ভ্রু কুচকে উঠছে? সালাহ যে একাদশে নেই সেটা সবাই জেনে গেছেন ম্যাচের আগেই। কিন্তু সুয়ারেজকে তো মাঠে নামতে দেখেছেন অনেকেই। দুই দলের মধ্যে প্রীতি সূচক হাত মেলানোর সময়ও ছিলেন বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড।

কিন্তু এর পর মাঠে যা করেছেন, তাতে না-থাকলেই হয়তো ভালো করতেন। তিনটি সহজতম সুযোগ নষ্ট করেছেন বলেই নয়, সতীর্থরা আক্রমণে ওঠার সময় যখনই তাঁর কাছে বল দিয়েছেন, সেটা নষ্ট হয়েছে সুয়ারেজের কারণেই।

তবু উরুগুয়ে জয় পেল কেন? কারণ হার না মানা মানসিকতা। মাঠের খেলায় দুই দল ছিল সমতায়, শুধু খেলার সৌন্দর্য চিন্তা করলে সালাহবিহীন মিসরই এগিয়ে ছিল।

কিন্তু গোলের সুযোগে এগিয়ে ছিল উরুগুয়ে। আর বারবার আক্রমণ করার মানসিকতা শেষ পর্যন্ত ধরে রাখার ফলেই এল গোল। ৮৮ মিনিটে এডিনসন কাভানির দুর্দান্ত এক ফ্রি কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে এলেও মনোবল হারায়নি।

পরের মিনিটেই বাঁ প্রান্তে ফ্রি কিক আদায় করলেন হোসে হিমেনেজ। কার্লোস সানচেজের ক্রস থেকে হেডটা হিমেনেজই নিলেন। এতক্ষণ দাঁতে দাঁত চেপে পড়ল ম্যাচ সমতায় রাখা মিসর পিছিয়ে পড়ল ম্যাচের ৯০ মিনিটে!

এমআর