নিজেকে আবারো নির্দোষ দাবি করে ফিফা সভাপতি পদ থেকে সড়ে দাঁড়ানো সেপ ব্লাটার বলেছেন ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার মধ্যে নীতিগত কোন দূর্নীতি নেই।

ঘূষসহ বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতির অভিযোগে সমালোচনার ঝড় ওঠায় পঞ্চম মেয়াদে ফিফার সভাপতি নির্বাচিত হবার চারদিনের মাথায় ফিফার সর্বোচ্চ পদ থেকে গত ২ জুন সড়ে দাঁড়ান আলোচিত ব্লাটার। এর আগে গত মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে সাতজন শীর্ষ পর্যায়ের ফিফা কর্মকর্তাসহ মোট ১৪জনের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ ওঠে।

এর মধ্যে সহ-সভাপতি ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য জেফরি ওয়েবস ছিলেন যাকে পরবর্তীতে বহিষ্কার করে ফিফা। এদের বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে ১৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশী ঘুষ নেবার অভিযোগ উত্থাপিত হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও সুইজারল্যান্ডের তদন্ত কমিটির কাছে ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপ স্বত্ব লাভে রাশিয়া ও কাতারের বিপক্ষে ঘুষ নেবার অভিযোগও আছে।

মে মাসে পঞ্চম মেয়াদে ফিফা সভাপতি নির্বাচিত হন ১৯৯৮ সাল থেকে এই পদে থাকা ব্লাটার। কিন্তু ঐ সময়ে দূর্নীতির দায়ে বিশ্ব জুড়ে ফিফাকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় মাথায় নিয়ে ব্লাটার সভাপতি পদ থেকে সড়ে দাঁড়ান। কিন্তু তখন থেকেই ৭৯ বছর বয়সী এই সুইস বলে আসছেন তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ।

একইসাথে তিনি দাবী করেন কিছু অসাধু ব্যক্তির কারনে ফিফার বিরুদ্ধে আজ এই অভিযোগ। বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে ব্লাটার বলেছেন, ‘আমি জানি আমি কি করেছি এবং কি করিনি। আমি জানি কোন ধরনের অসৎ কাজের সাথে আমি জড়িত নই। এ কারনে আমি মোটেই চিন্তিত নই। আমি পদত্যাগ করেছি কারন আমি ফিফাকে রক্ষা করতে চেয়েছি। আমি নিজেকে রক্ষা করতে পারবো, কারন আমি যথেষ্ট শক্ত একজন মানুষ।’

ফিফা সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে ব্লাটার বলেন, এটা মোটেও সত্যি না। এই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটি মোটেই দূর্নীতিগ্রস্থ নয়, ফুটবল দূর্নীতিগ্রস্থ নয়। কিছু ব্যক্তির নৈতিকতার অবনতি হয়েছে। তাদের জন্য পুরো প্রতিষ্ঠান দায়ী হতে পারে না।

জেডআই