ইংল্যান্ডের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে পাকিস্তান হারলো ১৬৯ রানের ব্যবধানে। নটিংহামের ট্রেন্ট ব্রিজে তৃতীয় ম্যাচ জিতে ৩-০ তে লিড নেওয়ার পাশাপাশি সিরিজ নিশ্চিত করেছে স্বাগতিক ইংল্যান্ড।
এ ম্যাচে বিশ্ব রেকর্ড গড়ে ওয়ানডে ফরমেটের সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ দাঁড় করায় ইংল্যান্ড। ৩ উইকেট হারিয়ে রেকর্ড ৪৪৪ রান সংগ্রহ করে স্বাগতিকরা। শ্রীলঙ্কা ২০০৬ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে করেছিল ৪৪৩ রান। ৪৪৫ রানের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪২.৪ ওভারে পাকিস্তানের ইনিংস থামে ২৭৫ রানে।
আগে ব্যাট করা ইংল্যান্ড ইনিংসের প্রায় মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত ওয়ানডে স্টাইলেই খেলতে থাকে। পরে ইংলিশ ব্যাটসম্যানরা পাকিস্তানের বোলারদের উপর তাণ্ডব চালায়। ওপেনার জ্যাসন রয় ব্যক্তিগত ১৫ রান করে ফিরে যান। আরেক ওপেনার অ্যালেক্স ইংলিশদের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ রানের ইনিংস খেলেন। ১২২ বলে ১৭১ রান করতে তার ইনিংসে ছিল ২২টি চার আর চারটি ছক্কার মার।
জো রুট করেন ৮৬ বলে ৮৫ রান। রুট আর হেলস মিলে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তোলের ২৪৮ রান। চার নম্বরে নামা জোস বাটলার ৫১ বলে সাতটি করে চার ও ছক্কায় খেলেন অপরাজিত ৯০ রানের ইনিংস। ব্যাটে কম যাননি দলপতি ইয়ন মরগান। মাত্র ২৭ বলে তিনটি বাউন্ডারি আর পাঁচটি ওভার বাউন্ডারিতে করেন অপরাজিত ৫৭ রান।
কম যাননি পাকিস্তানি বোলাররাও! তিন অঙ্ক ছুঁয়েছেন পাকিস্তানি পেসার ওয়াহাব রিয়াজ। দেশটির হয়ে একমাত্র রিয়াজই এখন ওয়ানডেতে ১০ ওভারে সর্বোচ্চ ১১০ রান খরচ করা বাজে ফিগারের বোলার। মোহাম্মদ আমির ১০ ওভারে খরচ করেছেন ৭২ রান। ১০ ওভারে ৭৪ রান দিয়ে দুটি উইকেট পান হাসান আলি।
১০ ওভারে ৬২ রান খরচায় একটি উইকেট নেন মোহাম্মদ নওয়াজ। ইয়াসির শাহর ৬ ওভারে খরচ ৪৮ রান। এক ওভার হাত ঘুরিয়ে দলপতি আজাহার আলি দেন ২০ রান। শোয়েব মালিকের ৩ ওভারে খরচ হয় ৪৪ রান।
৪৪৫ রানের জয়ের টার্গেটে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার সামি আসলাম ৮ রান করে বিদায় নেন। তবে, ব্যাটে ঝড় তোলের আরেক ওপেনার শারজিল খান। ৩০ বলে ১২টি চার আর একটি ছক্কার সাহায্যে তিনি করেন ৫৮ রান। তিন নম্বরে নামা আজাহার আলি করেন ১৩ রান।
বাবর আজম ৯, শোয়েব মালিক ১ রান করলেও সরফরাজের ব্যাট থেকে আসে ৩৮ রান। সাত নম্বরে নামা মোহাম্মদ নওয়াজ করেন ৩৪ রান। পাকিস্তানের মান রক্ষা করতে ব্যাট হাতে লড়াই করেন মোহাম্মদ আমির।
শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হওয়ার আগে তিনি ২৮ বলে ৫টি চার আর ৪টি ছক্কায় করেন ৫৮ রান। ২৬ রান করেন অপরাজিত থাকা ইয়াসির শাহ। ইংলিশদের হয়ে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নেন ক্রিস ওকস। এছাড়া, আদিল রশিদ দুটি উইকেট পান।
এমএনজে





