শারজিল খানের ৫০ বলে করা সেঞ্চুরির এই ম্যাচে পেশোয়ার জালমিকে ৫০ রানে হারিয়ে ফাইনালে উঠে গেছে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড।
আগের ২২ ম্যাচে সেঞ্চুরি হয়নি একটিও। এমনকি ৯০-এর ঘরেই পৌঁছাতে পেরেছিলেন কেবল একজন।
পাকিস্তান সুপার লিগে অবশেষে তৃতীয় কোয়ালিফায়িং ফাইনালে এসে কাটল সেঞ্চুরি-খরা।
দুবাই ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে রোববার রাতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৭৬ রান করে ইসলামাবাদ।
ওপেনিংয়ে নামা শারজিল শেষ ওভারে ফেরার আগে খেলেন ১১৭ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। তার ৬২ বলের ইনিংসে ছিল ১২টি চার ও ৮টি ছক্কার মার। এছাড়া খালিদ লতিফ ২১ বলে অপরাজিত ২৮ রানের ইনিংস খেলে দলের বড় সংগ্রহে অবদান রাখেন।
১৭৭ রান তাড়া করতে নেমে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে দুই ওভার বাকি থাকতেই ১২৬ রানে অলআউট হয়ে যায় পেশোয়ার। তাদের ইনিংসে কামরান আকমল (৩২ বলে ৪৫) ও শহীদ আফ্রিদি (১৭ বলে ৩৮) ছাড়া আর কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি।
শুরুতে আকমল ঝড়ো সূচনা এনে দেওয়ার পর শেষদিকে আফ্রিদির ব্যাটে জয়ের কিছুটা আশা দেখেছিল পেশোয়ার সমর্থকরা।
শেষ তিন ওভারে জয়ের জন্য ৬৭ রান প্রয়োজন ছিল পেশোয়ারের। ১৮তম ওভারে আন্দ্রে রাসেলের প্রথম তিন বলে দুটি ছক্কা ও একটি চার মেরে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনেন আফ্রিদি। কিন্তু পরের বলে অধিনায়কের বিদায়ে পেশোয়ারও ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে।
ইসলামাবাদের পক্ষে ইমরান খালিদ ২০ রানে ৪টি ও রাসেল ৩৭ রানে ৩ উইকেট নেন। মোহাম্মদ ইরফান, মোহাম্মদ সামি ও স্যামুয়েল বদ্রির ঝুলিতে জমা পড়ে একটি করে উইকেট। ম্যাচসেরা হয়েছেন সেঞ্চুরিয়ান শারজিল খান।
শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মঙ্গলবার কুয়েটা গ্ল্যাডিয়েটরসের বিপক্ষে খেলবে মিসবাহ-উল-হকের ইসলামাবাদ ইউনাইটেড।
এসএম





