বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত দুটায় মুখোমুখি হতে যাচ্ছে স্বাগতিক ব্রাজিল বনাম ক্রোয়েশিয়া। ম্যাচ শুরুর আগেই ম্যাচের ফলাফল নিয়ে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। ব্রাজিল জিতবে নাকি ক্রোয়েশিয়া। গোল ব্যবধান বেশি হবে নাকি কম, নাকি গোলশূন্য ড্র হবে।

উদ্বোধনী ম্যাচে বিশ্ববাসী সেলেসাওদের ঝলক দেখবে, নাকি দেখবে লিটল ম্যাজিশিয়ান লুকা মদরিচের ক্রোয়েশিয়ার উদ্বোধনী ম্যাচের অঘটন। ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত এসব জল্পনা থামবে না। তার আগে চোখ বুলিয়ে নেয়া যাক আগের বিশ্বকাপগুলোতে উদ্বোধনী ম্যাচের খুঁটিনাটি ও এই দুই দলের রেকর্ড।

১. বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে স্বাগতিকদের হারের কোন নজির নেই। এর আগের ১৯ টি আসরের ১৪ টিতে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকরা জয় পেয়েছে আর  ড্র করেছে ৫টিতে।

২. ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপের স্বাগতিক হিসেবে ব্রাজিল নিজেদের প্রথম ম্যাচে মেক্সিকোকে ৪-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করেছিল।

 ৩. গত ১২টি আসরের ৮ টি উদ্বোধনী ম্যাচের ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে সর্বোচ্চ ১ গোলের ব্যবধানে।

 ৪. ২০১৪ বিশ্বকাপে ব্রাজিল ২০ বারের মতো অংশ নিচ্ছে। প্রত্যেকটি বিশ্বকাপে অংশ নেয়ার রেকর্ড শুধুমাত্র ব্রাজিলের রয়েছে।

 ৫. বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক ম্যাচ জয়ের রেকর্ড ব্রাজিলের। এ পর্যন্ত ৬৭ টি ম্যাচে শেষ হাসি হেসেছে সেলেসাওরা।

 ৬. ২১০ টি গোল করে গোলদাতা দলগুলোর মধ্যেও শীর্ষে রয়েছে সেলেসাওরা।

 ৭. তবে ম্যাচ প্রতি কম গোল খাওয়ার রেকর্ডটি ক্রোয়েশিয়ার দখলে। বিশ্বকাপে দলটির ম্যাচ প্রতি গোল খাওয়ার হার শূন্য দশমিক ৮৫। এর আগে ১৩ টি ম্যাচে মাত্র ১১ টি গোল খেয়েছে দলটি।

 ৮. গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ব্রাজিল সর্বশেষ পরাজিত হয়েছিল ১৯৯৮ সালে।  ফ্রান্স বিশ্বকাপে সেবার নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরেছিল সেলেসাওরা। এরপরে অনুষ্ঠিত ৯টি ম্যাচের ৮টিতেই জয় পেয়েছি দলটি, একটিতে ড্র করেছে।

 ৯. ক্রোয়েশিয়ার সর্বশেষ ৯টি বিশ্বকাপ ম্যাচে ৬ বার রেফারিকে লাল কার্ড দেখাতে হয়েছে।

১০. এ পর্যন্ত বিশ্বকাপে ব্রাজিল-ক্রোয়েশিয়ার একবারই সাক্ষাৎ হয়েছে। ২০০৬ সালে জার্মানি বিশ্বকাপের সেই ম্যাচে কাকার গোলে ১-০ তে ম্যাচটি জিতেছিল ব্রাজিল।

রেকর্ডের দিক থেকে ব্রাজিল ক্রোয়েশিয়ার থেকে অনেক বেশি এগিয়ে। তবে ক্রোয়েশিয়ার গোল কম খাওযার রেকর্ড কিন্তু স্কলারির কপালে ভাজ ফেলতেও পারে।

ঢাকা, ১২ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই