টাইগারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২৪৮ রানে গুটিয়ে গেল দক্ষিণ আফ্রিকার ১ম ইনিংস। যদিও চট্টগ্রাম টেস্টে প্রথম দিনের শুরুতে বেশ সতর্কভাবেই খেলছিল দক্ষিণ আফ্রিকা দুই ওপেনার স্টিয়ান ফন জিল ও ডিন এলগার।

কিন্তু তাদের সেই রণকৌশল খুব একটা কাজে আসেনি। ওয়ানডে সিরিজের সেরা বোলিং পারফর্মার মোস্তাফিজ পেস আর জোবায়েরের ঘূর্ণি জাদুতে ২৪৮ রানে গুটিয়ে যায় তাদের ইনিংস।

টসে জিতে ব্যাটিং করতে নেমে দিনের উদ্বোধনী জুটিতে ৫৮ রান তুলে নেন ফন জিল ও ডিন এগলার।

১৪তম ওভারের চতুর্থ বলে সফরকারী শিবিরে আঘাত করেন অফস্পিনার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। লেগ সাইড দিয়ে বের হয়ে যাওয়া বলে খোঁচা মারতে গিয়ে উইকেটরক্ষক লিটন কুমার দাসের তালুবন্দি হন স্টিয়ান ফন জিল। ৪৯ বলে ৬ বাউন্ডারিতে ৩৪ রান আসে ফন জিলের ব্যাট থেকে।

দলীয় ১৩৬ রানে মাথায় তাইজুলের শিকারে পরিণত হন ডিন এলগার (৪৭)। পরের ওভারের প্রথম বলেই ফাফ ডু প্লেসিসকে (৪৮) এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান।

দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে বাংলাদেশের ক্রিকেটীয় রেকর্ড কখনোই ভালো ছিল না। কিন্তু দুই দলের এবারের দ্বিপক্ষীয় সিরিজের সীমিত ওভারে বাংলাদেশ প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয় টাইগাররা।

সীমিত ওভারের ক্রিকেটের পর এবার লংগার ভার্সন পরীক্ষায় বাংলাদেশ। আইসিসি র‌্যাংঙ্কিংয়ের শীর্ষ দলের বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট পরীক্ষায় মঙ্গলবার মাঠে নেমেছে মুশফিক বাহিনী। সকাল সাড়ে ৯টায় চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে ম্যাচটি শুরু হয়।

প্রসঙ্গত, ২০০২, ২০০৩ ও ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মোট আটটি টেস্ট খেলেছে বাংলাদেশ। একটিতেও জয় নেই। ফলোঅন করে ইনিংস ব্যবধানে হেরেছে অধিকাংশ টেস্টে।

গেল ৭ বছরে অনেক কিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। বাংলাদেশ এখন আর ফলোঅন করে ইনিংস ব্যবধানে হারার মতো দল নেই। ওয়ানডের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে এবার টেস্টেও সাফল্য পায় নাকি তাই দেখার বিষয়।

ইআর/এমএইচ