বিশ্বকাপ ফাইনালে গোল সংখ্যায় এগিয়ে থাকা চ্যাম্পিয়ন দল শুধু স্বপ্নের কাপই পাবে না, সঙ্গে পাবে সাড়ে তিন কোটি ডলার, যা বাংলাদেশ টাকায় প্রায় ২৮০ কোটি টাকা। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা-ফিফা এ অর্থ দেবে।

আগামীকালের ম্যাচে আর্জেন্টিনা-জার্মানির মধ্যে যারাই জিতবে, বিশ্বকাপের সঙ্গে তারাই পাবে এই অর্থ। চ্যাম্পিয়ন দলের ফুটবল ফেডারেশন এই অর্থ যেকোনো কাজে ব্যয় করতে পারবে।
বিশ্ব ফুটবলের শীর্ষ হিসেবে নিজেদের দাঁড় করাতে না পারলে কাপটি পাবে না ঠিকই, টাকা কিন্তু খুব একটা কম পাবে না রানার্স আপ দলটি। আর্জেন্টিনা ও জার্মানির মধ্যে ফাইনালে যারা হারবে, তারা পাবে আড়াই কোটি ডলার বা ২০০ কোটি টাকা।

বিশ্বকাপ জিততে পারলে আর্জেন্টিনা সরকার তার দলের খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ কোনো উপহার দেবে কি-না, তা জানা না গেলেও জার্মানি ইতিমধ্যেই নগদ অর্থের ঘোষণা দিয়েছে। জার্মান ফুটবল ফেডারেশন গত বছরই ঘোষণা দিয়ে রেখেছে যে, চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপ জিততে পারলে স্কোয়াডে থাকা ২৩ খেলোয়াড়ের প্রত্যেককে তিন লাখ ইউরো বা চার লাখ ৮০ হাজার ডলার করে বোনাস দেবে তারা। জার্মানির যেসব খেলোয়াড় ইউরোপের ধনী ক্লাবগুলোতে খেলেন, এই পরিমাণ অর্থ সেখানে তাদের কয়েক সপ্তাহের মূল বেতনের সমান।

২০১০ সালের বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন স্পেন পেয়েছিল তিন কোটি ডলার। 'ওই বছর রানার্স আপ নেদারল্যান্ডস পেয়েছিল দুই কোটি ৪০ লাখ ডলার। আর তৃতীয় সেরা দল এবার পাচ্ছে দুই কোটি ২০ লাখ ডলার আর চতুর্থ সেরা দলটি পাচ্ছে দুই কোটি ডলার। এ ছাড়া কোয়াটার ফাইনালে খেলা দলগুলোর প্রত্যেকটি পাবে এক কোটি ৪০ লাখ ডলার করে।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৩২টি দলের প্রত্যেকটিকে ফিফা দিয়েছে ১৫ লাখ ডলার করে। বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য এ অর্থ দেয়া হয়েছে। ২০১০ সালের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোকে ফিফা পাঁচ লাখ ডলার করে দিয়েছিল।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দলগুলোই কেবল নয়, ফিফার কাছ থেকে টাকা পাবে আন্তর্জাতিক ক্লাবগুলোও, যাদের খেলোয়াড়রা বিশ্বকাপে খেলছে। বিশ্বকাপে খেলার জন্য ক্লাবগুলো তাদের মোট ৭৩৬ জন প্লেয়ারকে ছুটি দিয়েছে। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া প্রতি খেলোয়াড়ের জন্য দুই হাজার ৮০০ ডলার হিসাবে মোট সাত কোটি ডলার বরাদ্দ রেখেছে ফিফা। এই অর্থ খেলোয়াড়দের বর্তমান ক্লাব ও দুই বছর ধরে চলা বাছাইপর্বের সময় তারা যেসব ক্লাবে ছিলেন, তাঁদের জন্য।

ঢাকা, ১২ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই