মেসিডোনিয়ার বিপক্ষে স্পেনের জয়টা অনুমিত ছিল, ছিল প্রত্যাশিতই। স্পেন সেই প্রত্যাশা পূরণ করেছে বড় জয় দিয়েই। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে তাদের জয় ৪-০ ব্যবধানে। অন্যদিকে ‘জি’ গ্রুপেরই অপর ম্যাচে ইতালি ৪-০ গোলে আরেক দুর্বল দল লিখটেনস্টাইনকে হারিয়ে স্পেনের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষস্থানটা ধরে রেখেছে।

দুটি ম্যাচের দৃশ্যপট ছিল একেবারেই বিপরীত। মেসিডোনিয়ার বিপক্ষে শুরুর দিকে প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়েও নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছে স্পেন। ইতালি শুরুতে দোর্দণ্ড প্রতাপে ৪ গোলে এগিয়ে দিয়েও দ্বিতীয়ার্ধে আর গোলের দেখা পায়নি।

স্পেনের পক্ষে গোল করেছেন ‘বুড়ো’ আরিজ আদুরিজ। স্পেনের জার্সি গায়ে এটি কোনো ফুটবলারের সবচেয়ে বেশি বয়সে করা গোল। ৩৫ বছর ২৭৬ দিন বয়সে গোল করে অ্যাথলেটিক বিলবাওয়ের এই স্ট্রাইকার রেকর্ড ভেঙেছেন হোসে মারিয়া পেনার। ১৯৩০ সালে পেনা আদুরিজের চেয়ে মাত্র ৫০ দিন কম বয়সে পর্তুগালের বিপক্ষে গোল করেছিলেন। ৮৬ বছর আগে করা পেনার এই গোলটিই এত দিন ছিল স্পেনের হয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সে করা গোল। অপর তিন গোলের দুটি এসেছে ভিতোলো ও নাচো মনরিলের পা থেকে, একটি আত্মঘাতী। গ্রানাডার নুয়েভো লো কারমেনসেস স্টেডিয়ামে ৩৪ মিনিটে মেসিডোনিয়ার দারকো ভেলকোফস্কির পা থেকে আসে আত্মঘাতী গোলটি।

লিখটেনস্টাইনের বিপক্ষে শুরুটা ইতালি যে গতিতে করেছিল, তাতে অনেকেই ভেবেছিলেন ‘আজ্জুরি’রা হয়তো গোলের বন্যায় ভাসিয়ে দেবে প্রতিপক্ষকে। একের পর এক আক্রমণে প্রথমার্ধেই ৪-০ গোলে এগিয়ে যায় তারা। ম্যাচের ১১ মিনিটেই বেলোত্তির গোল করে এগিয়ে দেন ইতালিতে। পরের মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ইম্মেবিলে। ৩২ মিনিটে কান্দ্রেভার গোলে ৩-০ হয় স্কোরলাইন। ৪৪ মিনিটে বেলোত্তিই বাঁ পায়ের দারুণ এক শটে দলকে এগিয়ে রাখেন ৪-০ ব্যবধানে। সূত্র: রয়টার্স।

এনএম...