ব্রাজিলের মারাকানায় অস্ত গেল বিশ্ব ফুটবলে স্পেন রাজত্বের। ৬ বছর আগে অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় ২০০৮ ইউরো ফাইনাল জিতে বিশ্ব ফুটবল শাসনের পথে পা রাখে স্পেন। দুই বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে বিশ্বকাপ জিতে পাকাপোক্তভাবেই শাসকের আসনে বলেছিল তারা। ২০১২ সালে কিয়েভে আবার ইউরো জিতে দারুণ এক ইতিহাস গড়ে চাভি-ইনিয়েস্তাদের দল।


টানা তিনটি বড় শিরোপা জয়ই নয়, গত ৬ বছর 'তিকি-তাকা' ফুটবলের ছন্দে পুরো বিশ্বকেই মাতিয়ে রেখেছে তারা। ভিয়েনা থেকে জোহানেসবার্গ, এর পর কিয়েভ; মাঠের সবুজে সুন্দর ফুটবলের আল্পনা এঁকে গেছেন চাভি-ইনিয়েস্তা-ভিয়ারা।


২০১০ বিশ্বকাপ জয়ী দলের ১৬ জনকে নিয়েই এবার ব্রাজিল এসেছিল স্পেন। দলের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স আর খেলোয়াড়দের ফর্মের জন্য ব্রাজিল ও ইতালির সঙ্গে বিশ্বকাপ শিরোপা ধরে রাখাদের ছোট্ট তালিকায় স্পেনের থাকার সম্ভাবনার কথাও উঠেছিল।

আরেকটি ছোট তালিকায় নাম উঠলো বটে স্পেনের। ব্রাজিল, ইতালি আর ফ্রান্সের সঙ্গে এখন তারাও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরের আসরেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিল।
অবশ্য সব আশায় জল ঢেলে শুরুটাই খুব বাজে করেছিল স্পেন। ব্রাজিল বিশ্বকাপে নিজেদের সূচনা ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের প্রতিশোধের আগুনে পুড়ল তারা। গত বিশ্বকাপের ফাইনালে যাদের হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল, সেই ডাচদের কাছে ৫-১ গোলে হারল 'লা ফুরিয়া রোহা' নামে পরিচিত দলটি।

এরপর সমর্থকদের হতাশ করে হতবিহ্বল রাজা অসহায় আত্মসমর্পণ করল চিলির কাছেও। ২-০ গোলে হেরে গ্রুপ পর্বের একটি ম্যাচ বাকি থাকতেই বিদায় নিতে হলো। অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে আনুষ্ঠানিকতার শেষ ম্যাচ খেলেই দেশের বিমানে উঠার আগে চার বছর আগে জেতা রাজদণ্ডটা রেখে আসতে হবে, এই মারাকানাতেই যা উঠবে ভবিষ্যত কোনো রাজার হাতে।


ঢাকা, ১৯ জুন (টাইমনিউজবিডি.কম) // জেআই