ফর্মে থাকা অলরাউন্ডার আন্দ্রে রাসেলের চোট এমনই গুরুতর যে তিনি দলের সঙ্গে কানপুর যাননি। গেছেন তারই স্বদেশীয় ক্রিকেটার জেসন হোল্ডার। বৃহস্পতিবার সুরেশ রায়নার গুজরাট লায়ন্সের বিরুদ্ধে তাঁর খেলার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি। হঠাৎ চোট পাওয়া রাসেলের খেলতে না পারা নাইট শিবিরে চাপ বাড়িয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
যেভাবেই হোক বৃহস্পতিবার গ্রিনপার্কে জিততেই হবে। না জিতলে নাইট শিবিরে চাপ ভয়ঙ্কর বাড়বে বলেই দেওয়া যায়। তখন আগামী রবিবার ঘরের মাঠে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে জিততেই হবে। তার পর থাকবে অঙ্কের কাটা–ছেঁড়ার হিসেব।
রায়নাদের কাছে গম্ভীররা ঘরের মাঠ ইডেনে বাজেভাবে হেরে গিয়ে ছিলেন। তবে গ্রিনপার্কের বাইশ গজ নিশ্চয়ই ইডেনের মতো হবে না। তবে জানা গেছে গ্রিনপার্কের বাইশ গজে সামান্য ঘাস রয়েছে। ঘাস না রাখলে পিচ ভেঙে যাবে প্রখর তাপে।
কানপুরের এখন তাপমাত্রা ৪৭ ডিগ্রির আশেপাশে! সেজন্য রাত সাড়ে ৮টায় ম্যাচ। যা কানপুরের ইতিহাসে প্রথম ম্যাচ নৈশালোকে। এর আগে কানপুরে কখনো রাতে ম্যাচ হয়নি।
গুজরাট লায়ন্সের ঘরের মাঠ কানপুর। আবার কানপুরেই খেলে বড় হয়েছেন গুজরাট লায়ন্সের অধিনায়ক সুরেশ রায়না। তিনি রাতের প্রথম ম্যাচ বলে খানিকটা ভাবছেন। তবে ঘরের মাঠের সব সুবিধেই নেবার জন্য প্রস্তুত গুজরাট লায়ন্সের অধিনায়ক।
বুধবার রায়না কানপুরে বলেছেন,‘ঘরের মাঠের সুবিধে নিতে হবে। আমরা তৈরি। আমাদের কাছে শুধু নয় নাইট রাইডার্সের কাছেও এই ম্যাচটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। এবারের আই পি এলে পাঁচ–ছ’টি দল খুব গায়ে গায়ে চলছে।
কোন চারটি দল প্লে–অফ খেলবে তা এখনও চূড়ান্ত নয়। গ্রুপ লিগ শেষ হতে চলল তাও ছবিটা এখনও পরিষ্কার নয়। তবে আমরা নাইটদের হারানোর জন্য পুরোপুরি তৈরি।’ ফর্মে থাকা আন্দ্রে রাসেল খেলছেন না। এটা তো সুবিধে বিপক্ষের। রায়না বলছেন, ‘রাসেল খেলবে কি না তা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না। আমরা আমাদের দল নিয়ে ভাবছি। বিপক্ষ িনয়ে নয়।’
নাইট শিবিরের পক্ষ থেকে কানপুরে বুধবার সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেটার জেসন হোল্ডার। তিনি জানিয়েছেন, ‘ফর্মে থাকা রাসেল খেলতে পারবে না এটা আমাদের কাছে বড় ধাক্কা। তবে আমাদের দলে এমন সব ক্রিকেটার রয়েছে যারা রাসেলের অভাব বুঝিয়ে দিতে পারবে। সেভাবেই দল নির্বাচন করবে টিম ম্যানেজমেন্ট।’
কানপুরের মাঠ ছোট। সেজন্য প্রচুর বাউন্ডারি হবে বলে মনে করছেন জেসন হোল্ডার। ‘মাঠ ছোট হওয়ায় বাউন্ডারি বেশি হবে। সেজন্য রানও উঠবে প্রচুর। পাশাপাশি আমার ধারণা পিচ ব্যাটসম্যান সহায়ক হবে। আমরা প্রস্তুত বড় রান তোলার জন্য। গত ম্যাচেও আমরা বড় রান তুলেছিলাম। এবারো সেই লক্ষ্য থাকবে।’
নাইট রাইডার্সের মতো গুজরাট লায়ন্সও তাদের শেষ ম্যাচ খুব বাজেভাবে হেরেছে বিরাট কোহলির রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের কাছে। রায়না বলছেন সেই হার থেকে শিক্ষা তারা নিয়েছেন। এখন দেখার কোহলিদের কাছে হার থেকে নাইটরা কতটা শিক্ষা নিয়েছে। বৃহস্পতিবার যার উত্তর দিয়ে দেবে গ্রিনপার্ক।
এমআর





