শক্ত প্রতিরোধ দিয়ে বড় সংগ্রহের পথে রয়েছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। সেঞ্চুরিয়ান জিত রাভাল ও টম ল্যাথাম দাপুটে সেঞ্চুরিতে ফিরলেও স্বাগতিকদের প্রথম ইনিংসে সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২ উইকেটে ৩৩৪ রান।

অপরদিকে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে করা ২৩৪ রানের বিপরীতে তারা এগিয়ে আছে ১০০ রানে।

প্রথম সেশনে দু্ই ওপেনারকে সেভাবে কোনও পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি বাংলাদেশের বোলাররা। ফলশ্রুতিতে প্রথম সেশন তারা শেষ করেছে নিয়ন্ত্রণটা আরও সুদৃঢ় করে। লাঞ্চের পর তা আরও পোক্ত হয় ল্যাথামের নবম টেস্ট সেঞ্চুরিতে। জিত রাভাল ও টম ল্যাথামের অবিচ্ছিন্ন এই জুটি ২০০৩ সালের পর সার্বিকভাবে নিউজিল্যান্ডের সেরা ও বাংলাদেশের বিপক্ষে রেকর্ড ওপেনিং জুটি। দেয়াল হয়ে দাঁড়ানো ২৫৪ রানের এই জুটি দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে ভাঙেন মাহমুদউল্লাহ। বাকিরা যখন সাফল্য পাচ্ছিলো না তখন নিজের প্রথম ওভারে এসেই ক্যাচ আউট করেন ১৩২ রান করা ওপেনার রাভালকে।

দ্বিতীয় সেশনের আগ পর্যন্ত অপর প্রান্তে দৃঢ়চেতা মনোভাব নিয়ে খেলতে থাকেন টম ল্যাথাম। কেন উইলিয়ামসনকে সঙ্গে নিয়ে লিড নিয়ে যান শত রানের কাছঅকাছি। চা পানের বিরতির পর ফিরে অবশ্য মনোযোগ রাখতে পারেননি। যেই সৌম্য সরকার প্রথম দিন তার ক্যাচ ফেলে দিয়েছিলো তার বলেই ওয়াইড স্লিপে দাঁড়ানো মিঠুন দর্শনীয় ক্যাচে ফেরান তাকে। ল্যাথাম বিদায় নেন ১৬১ রানের দাপুটে ইনিংস খেলে। ক্রিজে আছেন কেন উইলিয়ামসন ৩৪ ও রস টেলর এখনও রানে খাতা খোলেননি।

প্রথম সেশনে সফরকারী বোলারদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করে খেলেন দুই ওপেনার টম ল্যাথাম ও জিত রাভাল। ল্যাথামের আগে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন জিত রাভাল। একই সঙ্গে টেস্টের হাজার রানও পূরণ করেন। অপর প্রান্তে ল্যাথাম ব্যাট করেছেন দাপটের সঙ্গেই। প্রথম দিন সৌম্যর ক্যাচ মিসে জীবন পেয়ে সেঞ্চুরি পেতে অবশ্য ঝুঁকি পূর্ণ শট খেলেছিলেন। টপ এজ হয়ে বল চলে যায় বাউন্ডারিতে। বাউন্ডারির কাছে ফিল্ডার থাকলেও লুফে নিতে পারেননি তার ক্যাচ।

সেডন পার্কে মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশে বোলিং শুরু করেন খালেদ। ৮৬ রান নিয়ে দিনের খেলা শুরু করেন দুই ওপেনার জিত রাভাল ও টম ল্যাথাম। ধীরে ধীরে নিজের ১৬তম টেস্ট হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন ল্যাথাম। অবশ্য হাফসেঞ্চুরি তুলতে পয়েন্টে চার মারার সময় ক্যাচ উঠলেও ফিল্ডারের নাগালে ছিলো না বল। এদিন টেস্ট ক্যারিয়ারের তিন হাজার রানও পূরণ করেন ল্যাথাম।

৪২তম ওভারে খালেদের ওভারে ফিল্ডিং পজিশনে নিয়ম না মানায় ৫ রানের পেনাল্টি দিতে হয় বাংলাদেশকে। যা চোখে পড়ে স্ট্রাইকিংয়ে থাকা টম ল্যাথামের।

জেড