কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে আগের ম্যাচে শুরুতেই ঝড় তোলে শেষদিকে পথ হারিয়ে ফেলে হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে চিটাগং ভাইকিংস। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে দলটি একই পরিণতি বরণ করবে কি না সেটি সময়ই বলে দেবে। তবে দুর্দান্ত শুরুর পর রংপুরকে ১৬৭ রানের লক্ষ্য বেঁধে দেয়া চিটাগং আফসোস করতেই পারে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে টসে জিতে চিটাগংকে ব্যাটিংয়ে পাঠান রংপুরের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ৯ ওভারে ১০০ রান তোলা চিটাগংয়ের ২০০ রান সময়ের ব্যাপারই মনে হচ্ছিল।
কিন্তু শেষদিকে তালগোল পাকিয়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৬ রানেই আটকে যায় চিটাগং। দুর্দান্ত শুরুর পর ৮ উইকেট হাতে থাকা সত্ত্বেও শেষ ৬৬ বলে মাত্র ৬৬ রান করতে সক্ষম হয় বন্দর নগরীর দলটি।
চিটাগং ভাইকিংসের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৮ রান করেন লুক রনকি। তার ৩৫ বলের ইনিংসটি সাতটি করে চার-ছক্কায় সাজানো ছিল। এছাড়া দিলশান মুনারাবিরা ১৭ বলে ২০, মিসবাহ-উল-হক ৩২বলে ৩১, এনামুল হক বিজয় ১৪ বলে ১৭ এবং রিকি লুকস ১৬ বলে করেন ১০ রান।
রংপুর রাইডার্সের হয়ে রবি বোপারা সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন। একটি করে উইকেট পান মাশরাফি ও থিসারা পেরেরা।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সৌম্যকে নিয়ে ২৮ বলে ৫৯ রানের ঝোড়ো জুটি গড়ে চিটাগং ভাইকিংসে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন রনকি। দলীয় ৫৯ রানের মাথায় মাশরাফির করা পঞ্চম ওভারের পঞ্চম বলে জিয়াউর রহমানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান সৌম্য।
তবে আক্রমণাত্মক খেলা থেকে পিছু হটেননি রনকি। এই নিউজিল্যান্ড ব্যাটসম্যান দ্বিতীয় উইকেটে মুনারাবিরাকে নিয়ে ৩১ বলে ৪০ রানের আরেকটি দারুণ জুটি গড়েন।
৮.৪ ওভারে ৯৯ রান করা চিটাগং ভাইকিংস রনকি আউট হতেই ছন্দ হারিয়ে ফেলে। রবি বোপারার করা নবম ওভারের পঞ্চম বলে জিয়াউরের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন রনকি। কিছুক্ষণ পর দলীয় ১১৩ রানের মাথায় বোপারার বলে মুনারাবিরা বোল্ড হয়ে ফিরে গেলে ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা করে রংপুর।
দ্রুত দুই উইকেট পতনের পর ক্রিজে এসে খোলসবন্দী হয়ে পড়েন মিসবাহ ও রিকি লুইস। রানের জন্য দুজনই করেন সংগ্রাম। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষের রান লাগামের মধ্যেই রাখেন রংপুরের বোলাররা।
নিজেদের প্রথম ম্যাচে রাজশাহীকে পরাজিত করেছে রংপুর রাইডার্স। অন্যদিকে নিজেদের প্রথম ম্যাচে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের কাছে হেরে যায় চিটাগং ভাইকিংস।
এমএ





