প্রথম ইনিংসে ব্যাটিং বিপর্যয় পড়া বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসেও একই পথে হেঁটেছে। চতুর্থ দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৫ উইকেট হারিয়ে মাত্র ২৫৬ রান সংগ্রহ করেছে মুশফিকরা। ফলে এখনও ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের চেয়ে ৪৬ রানে পিছিয়ে আছে তারা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের করা ৪৮৪ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৮২ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। ফলোঅনে পড়ে সফরকারীরা।

সেন্ট ভিনসেন্টের আর্নস ভেল স্টেডিয়ামে ক্যারিবীয় ব্যাটসম্যানরা বাংলাদেশের স্পিনারদের বিপক্ষে অনায়সে ব্যাটিং করেছেন। কিন্তু একই উইকেটে বিপরীত চিত্র বাংলাদেশের ইনিংসে। স্পিনারদের দাপটে আসা-যাওয়ার মিছিলে ব্যাটসম্যানরা।

প্রথম ইনিংসে সুলায়মান বেন ৫টি ও ব্ল্যাকউড ২টি উইকেট নেন। সোমবার দ্বিতীয় ইনিংসেও বেনের দাপট। তবে শুরুটা করেন পেসার কেমার রোচ।

দলীয় ১১ রানে শামসুর রহমান ৪ রানে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। দ্বিতীয় উইকেটে রান খরায় থাকা তামিম ও ইমরুল ৭০ রান যোগ করেন।

এই জুটি ভাঙ্গেন পার্ট টাইম বোলার ক্রিস গেইল। ৭২ বলে ২৫ রান করা ইমরুল অহেতুক শট খেলতে গিয়ে গেইলের শিকার হন।

প্রথম ইনিংসে অর্ধশতকের দেখা পাওয়া মুমিনুল দ্বিতীয় ইনিংসেও ভালো শুরুর ইঙ্গিত দেন। কিন্তু দলীয় ১০৪ রানে বেনের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে রামদিনের হাতে ক্যাচ তুলে দেন। ২৬ বলে ২ বাউন্ডারিতে ১২ রান করেন মুমিনুল।

এরপর সাজঘরে ফিরেন তামিম। টেস্টে পাঁচ ইনিংস পর অর্ধশতকের দেখা পাওয়া তামিম বেনের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন। বাহাতি এই স্পিনারের ঘূর্ণিতে তামিমের ইনিংস ৫৩ রানে থেমে যায়। ১০৭ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় ৫৩ রান করেন ড্যাশিং এই ওপেনার।

পঞ্চম উইকেটে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ ১৩০ রানের জুটি গড়েন।

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে পঞ্চম উইকেটে রেকর্ড এই জুটি ভাঙ্গেন কেমার রোচ। ক্যারিয়ারের সপ্তম অর্ধশতকের পর ৬৬ রানে থেমে যায় মাহমুদুল্লাহর ইনিংস। ১৫১ বলে ৭টি চার ও ১টি ছক্কায় ৬৬ রান করেন রিয়াদ।

শেষ পর্যন্ত ৭০ রান নিয়ে অপরাজিত আছেন মুশফিক। তার সঙ্গে সাত রান নিয়ে শেষ দিনের খেলা শুরু করবে বাংলাদেশ।

ঢাকা, ৯ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেডআই