উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল ম্যাচে জুভেন্টাসকে হারিয়ে ইউরোপের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। এই নিয়ে পঞ্চমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শিরোপা জিতল কাতালান ক্লাবটি।
শনিবার রাতে বার্লিনে অনুষ্ঠিত শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জুভেন্টসাকে ৩-১ গেলে হারিয়েছে বার্সা। সেই সঙ্গে এ মৌসুমে ট্রেবল জয়ের রেকর্ড গড়ল তারা।
খেলা শুরুর চার মিনিটে লিড নেয় বার্সা। দ্বিতীয়ার্ধে আলভারো মোরাতার গোলে জুভেন্টাস সমতায় ফিরলেও সুয়ারেজ ও নেইমার জয় নিশ্চিত করেন।
এই জয়ের ফলে বার্সা কোচ লুইস এনরিকের অভিষেক মৌসুমটি ভালোই কাটল। এর আগে ২০০৮-০৯ মৌসুমে অভিষেকে বার্সাকে ট্রেবল জয়ের আনন্দ এনে দিয়েছিলেন কোচ পেপ গার্দিওলা।
আনন্দে আত্মহারা হতে পারেন জাভি। কারণ ন্যু ক্যাম্প থেকে তার বিদায়টা বীরের বেশেই হলো। কাতারের ক্লাব আল সাদে যোগ দেয়ার আগে একটা দারুণ মৌসুম কাটালেন তিনি।
এদিকে ১৯ বছর ধরে ইউরোপের শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে না পারার দুঃখ নিয়ে বিদায় নিতে হলো জুভেন্টাসকে। সেই ১৯৯৫-৯৬ মৌসুমে শিরোপাটি জিতেছিল 'সিরি আ' লিগের দলটি। সেবার ট্রেবল জয়ী হয়েছিল তারা। এবারও সেই সুযোগ ছিল। কিন্তু সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেনি ইতালিয়ান জায়ান্টরা।
খেলার ৪ মিনিটে গোল করে বার্সাকে এগিয়ে দেন র্যাকিটিচ। দর্শনীয়ভাবে মেসির এগিয়ে দেয় বল চমৎকারভাবে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিলেন আলবা। পাস দিলেন নেইমারকে। ট্রিকারিতে ইনিয়েস্তার কাছে বাড়িয়ে দিলেন তিনি। বক্সের মধ্যে দারুণভাবে বলটি সাজিয়ে দিলেন এই মিডফিল্ডার। আর সেটিকে জালে জড়িয়ে দিতে ভুল করলেন না র্যাকিটিচ।
প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় আক্রমণ আর পাল্টা আক্রমণে কিন্তু এগিয়ে থাকে বার্সা। দ্বিতীয়ার্ধে খেলার ৫৫ মিনিটে সমতায় ফিরতে সক্ষম হয় জুভেন্টাস। মারচিসিও চমৎকার ব্যাক-হিলে বল দেন লিচস্টেইনারের কাছে। তেভেজের কাছে বলটি গড়িয়ে পাস দেন তিনি। তেভেজের কিক করা ফিরিয়ে দেন বার্সা রক্ষক টার স্টেগেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। ফিরে আসা জালে জড়িয়ে দেন মোরাতা।
খেলার ৬৮ মিনিটে প্রায় মাঝমাঠ থেকে একক প্রচেষ্টা বল নিয়ে ঢুকে যান লিওনেল মেসি। চমৎকার কিকও নেন। কিন্তু তার বল ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক বুফন। ফিরে আসা বলটিকে এবার জালে জড়িয়ে হিরো বনে যান সুয়ারেজ।
যোগ করা সময়ে জুভেন্টাসের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেন নেইমার। ফলে ৩-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তারা।
জেডআই





