টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে সফল দলগুলোর মধ্যে একটি পাকিস্তান। যেখানে টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে আয়ারল্যান্ডেরও নিচে আছে বাংলাদেশ। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায় ফেবারিট হিসেবেই শুক্রবার একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাঠে নামছে স্বাগতিকরা। স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে।
ওয়ানডেতে পাকিস্তানকে হোয়াইট ওয়াশ করলেও এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কোনো টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর একমাত্র ম্যাচটি ছিল গত বছরের আগস্ট মাসে। তাও বৃষ্টি ভাসিয়ে দিয়েছিল।
এদিকে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এই ফরম্যাটের কোনো ঘরোয়া টুর্নামেন্টের আয়োজন করেনি। ফলে ওয়ানডের আত্মবিশ্বাস নিয়েই পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামতে হবে মাশরাফিদের।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সবচেয়ে বেশি জয় পাওয়া দল। যে দলে রয়েছেন শহীদ আফ্রিদি, উমর গুল, সাঈদ আজমল, সোহাইল তানভীর ও আহমেদ শেহজাদের মতো ম্যাচ উইনার তারকা। বিভিন্ন দেশের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টে তাদের খেলার অভিজ্ঞতা আছে।
টি-টোয়েন্টিতে ৮৫ ম্যাচের মধ্যে ৫০টিতে জয় পেয়েছে পাকিস্তান। বিপরীতে ৪১ ম্যাচ খেলে মাত্র ১১টিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আর মুখোমুখি লড়াইয়ে সাতবারই জয় পেয়েছে সফরকারী সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচ:
বাংলাদেশ: পাঁচ ম্যাচেই হার
পাকিস্তান: গত ম্যাচে হারের আগে একটি জয়। তার আগের দুই ম্যাচ হার। পঞ্চম ম্যাচটিতে জয়।
বাংলাদেশ দল: তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, মাহমুদুল্লাহ, লিটন দাস, রনি তালুকদার, মুশফিকুর রহিম (উইকেটরক্ষক). সাকিব আল হাসান, সাব্বির রহমান, নাসির হোসাইন, মাশরাফি মর্তুজা (অধিনায়ক), আরাফাত সানি, তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান।
পাকিস্তান দল: সরফরাজ আহমেদ (উইকেটরক্ষক), আহমেদ শেহজাদ, হারিস সোহাইল, মোহাম্মদ রিজওয়ান, মুখতার হোসাইন, শহীদ আফ্রিদি (অধিনায়ক), সাদ নাসিম, সোহাইল তানভীর, ওয়াহাব রিয়াজ, সাঈদ আজমল ও উমর গুল।
জেডআই





