বিপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে পারেননি ক্রিস গেইল ও ব্রেন্ডন ম্যাককালাম। তবে দ্বিতীয় ম্যাচেই জ্বলে উঠলেন এই দুজন। তবে গেইল ও ম্যাককালামের বিদায়ের পর খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি রংপুর রাইডার্সের ব্যাটসম্যানরা।
তবে তারপরও চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহই গড়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। সোমবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট সিক্সার্সকে ১৭০ রানের লক্ষ্যমাত্রা দিতে সক্ষম হয় রংপুর।
মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে টসে জিতে রংপুর রাইডার্সকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় সিলেট। সাবধানী শুরুর পর আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠা গেইল ও ম্যাককালামের দারুণ ব্যাটিং বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখতে থাকে রংপুর। মাঝপথে ছন্দপতন ঘটলেও শেষদিকের দৃঢ়তায় নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে দলটি।
রংপুরের হয়ে ৩৯ বলে ৫টি ছক্কা ও ২টি চারের সাহায্যে ঠিক ৫০ রান করেন গেইল। অন্যদিকে ম্যাককালাম ২১ বলে ৩টি করে চার-ছক্কায় খেলেন ৩৩ রানের ইনিংস। এছাড়া মোহাম্মদ মিঠুন ২১ বলে ২৫, থিসারা পেরেরা ১২ বলে ১৫ এবং রবি বোপারা করেন ১২ বলে ২৮ রান।
সিলেট সিক্সার্সের হয়ে আবুল হাসান সর্বোচ্চ দুটি উইকেট নেন। এছাড়া একটি করে উইকেট নেন নাসির হোসেন, টিম ব্রেসনান ও লিয়াম প্লাঙ্কেট। মাশরাফি ও বোপারা রানআউটের ফাঁদে পড়েন।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই সাবধানী ছিলেন গেইল ও ম্যাককালাম। প্রথম চার ওভার থেকে দুজন নেন মাত্র ১৯ রান। পঞ্চম ওভার থেকেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন রংপুরের দুই ব্যাটসম্যান। নাসিরের করা পঞ্চম ওভারে গেইল একটি ছক্কা এবং ম্যাককালাম একটি চার হাঁকান।
দানুসকা গুনাথিলাকার করা ষষ্ঠ ওভারে আরো আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন গেইল। দুটি ছক্কা ও একটি চারের সাহায্যে নেন ১৮ রান। একের পর এক বাউন্ডারিতে সিলেটের বোলারদের কোণঠাসা করে ফেলেন গেইল ও ম্যাককালাম।
নাসিরের করা নবম ওভারে যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পায় সিলেট। তৃতীয় বলে তুলে মারতে গিয়ে লং অনে লিয়াম প্লাঙ্কেটকে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন ম্যাককালাম। আবুল হাসানের করা ১১তম ওভারের চতুর্থ বলে গেইল ফিরে গেলে রানের চাকা স্লো হয়ে যায় রংপুরের।
রংপুর রাইডার্সের রানের চাকা সচল হয় ১৯তম ওভারে। প্লাঙ্কেটের করা ওভার থেকে ২৩ রান নেন বোপারা ও জিয়াউর। অবশ্য আবুল হাসান শেষ ওভারে মাত্র ৪ রান দিয়ে সিলেটের সেই 'ক্ষতি'টা পুষিয়ে দেন।
সাত ম্যাচে তিনটি জয় ও একটি ড্রয়ে ৭ পয়েন্ট নিয়ে সাত দলের টুর্নামেন্টে চার নম্বরে রয়েছে সিলেট। অন্যদিকে চার ম্যাচের তিনটিতে হেরে সবার তলানিতে রয়েছে রংপুর।
এমএ





