বিশ্বসেরার লড়াইয়ে কাউকে কোন ছাড় দেয়ার সুযোগ নেই। লড়াইটা ফিফা বল্যালন ডি’ অরের। সেই লড়াইয়ে থাকেন বিশ্বের নামিদামি সব ফুটবলার। গত সাত বছর ধরে সব আলো কেড়ে নিয়েছেন আর্জেন্টাইন যাদুকর লিওনেল মেসি ও পর্তুগালের তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

২০০৮ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো:

 

২০০৮ সালে ফিফা বর্ষসেরার পুরষ্কার পান ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সেবার লিওনেল মেসিকে পিছনে ফেলেন এই পর্তুগিজ। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন রোনালদো। ৯৩৫ পয়েন্ট নিয়ে সেরা নির্বাচিত হন সি.আর. সেভেন। আর দুইয়ে থাকা মেসির পয়েন্ট ছিল ৬৭৮! সে বছর তৃতীয় খেলোয়াড় নির্বাচিত হন তোরেস।

২০০৯,২০১০, ২০১১ ও ২০১২: লিওনেল মেসি:

২০০৯ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে পিছকে ফেলে ২০০৯ সাল ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার পান লিওনেল মেসি। ২০০৯ সালে শেষ বারের মতো ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার দেওয়া হয়। এরপর এই পুরস্কারের নাম দেওয়া হয় ফিফা ব্যালন ডি’অর। সে বছর রোনালদো দ্বিতীয় ও জাভি তৃতীয় ফুটবলার নির্বাচিত হন।

২০১০ সালে ফিফা ও ইউরোপের বর্ষসেরার পুরস্কার একসঙ্গে দেওয়া হয়। ফিফা ব্যালন ডি’অরের প্রথম পুরস্কার ওঠে লিওনেল মেসির হাতে। এরপর পর পর দুবার ব্যালন ডি’অরের পুরস্কার নিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেন মেসি। ২০১০ সালে সেরা তিনে জায়গা হয়নি রোনালদোর। সেবার আন্দ্রে ইনিয়েস্তা ও জাভিকে পেছনে ফেলে ট্রফি জিতে নেন মেসি। পরের দু’বছর অবশ্য রোনালদোকে টপকে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন যাদুকর মেসি।

২০১৩, ২০১৪ ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো:

 

লিওনেল মেসির আধিপত্যের পর ২০১৩ সালে শুরু হয় রোনালদোর সাম্রাজ্য। ২০০৮ সালে ফিফা বর্ষসেরার পুরস্কার পেলেও ২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো ফিফা ব্যালন ডি’অর জিতে নেন রোনালদো। পারফরমেন্সের ধারাবাহিকতায় ২০১৪ সালের ট্রফিও ওঠে রোনালদোর হাতে।

সাত বছর ধরে লিওনেল মেসি কিংবা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর দখলেই ফিফা বর্ষ সেরা বা ব্যালন ডি’অরের পুরস্কার। মেসির শোকেসে এটি জমা হয়েছে চারবার- ২০০৯, ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালে। আর পর্তুগিজ যুবরাজের হাতে এই পুরস্কার উঠেছে তিনবার- ২০০৮, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে।

সোমবার রাতে ২০১৪ সালের পুরস্কার জিতে মেসির কাঁধে নি:শ্বাস ফেলেছেন রোনালদো। ২০১৫ সালের পুরস্কার জিতে নিতে পারলে মেসি ও রোনালদোর সমীকরণ হবে ৪:৪।

এমকে