বাংলাদেশের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে নেয়ার পর ওয়ানডেতেও জয় দিয়ে লড়াই শুরু করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশের দেয়া ১৬১ রানের জবাবে ৩১.১ ওভারে মাত্র দুটি উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় তারা।

শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে বিকাল তিনটায় খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বৃষ্টির কারণে খেলা শুরু হয় বিকাল ৫টা ৪০ মিনিটে। আর ৫০ ওভারের খেলা নির্ধারিত হয় ৪০ ওভারে। কিন্তু ৩৬.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৬০ রান সংগ্রহ করতে পারে বাংলাদেশ।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ষষ্ঠ ওভারে প্রথম উইকেট হারায় প্রোটিয়ারা। মাশরাফির বলে মাহমুদুল্লাহর হাতে ক্যাচ আউট হন ১৮ বলে ১৪ রান করা আমলা। ১৪তম ওভারে নাসিরের প্রথম বলে সাব্বিরের হাতে ক্যাচ আউট হন ডি কক।

দুটি উইকেট হারালেও ডু প্লেসিস ও রিলি রুশো দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। ওয়ান ডাউনে মাঠে নামা ডুপ্লেসিস ৭৫ বলে সাতটি চারে ৬৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। তার সঙ্গে ৫৩ বলে ৪৫ রান করে খেলা শেষ করেন রুশো।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে "আস্তে চলো" নীতিতে ব্যাট চালানো শুরু করেন বাংলাদেশের ওপেনার তামিম ইকবাল। সৌম্যর স্বাভাবিক খেলায় যাত্রা শুরু হলেও চতুর্থ ওভারেই সব কিছু তছনছ করে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার কাগিসু রাবাদা।

চতুর্থ ওভারের চতুর্থ বলে বোল্ড হয়ে মাঠ থেকে বিদায় নেন ১৩ বলে রানের খাতা খুলতে না পারা তামিম ইকবাল। পরের বলে বেহারদেইনের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ওয়ানডাউনে মাঠে নামা লিটন দাস (০)। ওভারের শেষ বলে মাহমুদুল্লাহ এলবিডব্লিউ'র ফাঁদে পড়েন। এতে হ্যাটট্রিক পূর্ণ হয় রাবাদার।

অষ্টম ওভারের দ্বিতীয় বলে আবার রাবাদার শিকারে পরিণত হন সৌম্য সরকার। ডুমিনির হাতে ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ২৭ বলে চার চারের সুবাদে ২৭ রান করেন তিনি।

মুশফিককে সঙ্গে নিয়ে সাকিব দলের হাল ধরেন। তাদের জুটি হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। কিন্তু মুশফিক (২৪) ডুমিনির বলে ক্রিস মরিসের হাতে ক্যাচ আউট হলে তাদের ৫৩ রানের জুটি ভেঙে যায়।

তবে ব্যাট চালিয়ৈ যান সাকিব। দেখতে দেখতে হাফ-সেঞ্চুরির পথে এগিয়ে যান। তবে হাফ-সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ২ রান দূরে থাকতে ইমরান তাহিরের বলে সাকিবকে এলবিডব্লিউ আউট দেয়া হয়।

শেষ উইকেট হিসেবে নাসির মাঠ ছাড়ার আগে করেন ৩১ রান। বাকিদের কেউই উল্লেখযোগ্য স্কোর করতে পারেননি।

রাবাদা ৮ ওভারে ১৬ রান দিয়ে ৬টি উইকেট শিকার করেন। ক্রিস মরিস দুটি উইকেট পান।

জেডআই