পাঁচ বছর পর মুখোমুখি বাংলাদেশ ও ভারতের জাতীয় ফুটবল দল। সা’দ উদ্দিনের গোলে ভারতের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ।

অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার ফ্রি-কিকে দুর্দান্ত এক হেডে ভারতের জালে ম্যাচের ৪২ মিনিটে গোল করেন সা’দ। এক গোলে এগিয়ে থেকেই প্রথমার্ধ্ব শেষ করল জামাল ভূঁইয়ারা।

প্রথম মিনিটে পেনাল্টির জোরালো আবেদন করেছিল বাংলাদেশ, কিন্তু রেফারি তা প্রত্যাখ্যান করেন। বক্সের মধ্যে মোহাম্মদ ইব্রাহিমের পা থেকে বল কেড়ে নেন স্বাগতিক ফুল ব্যাক রাহুল ভেকে।

স্পষ্ট সুযোগ প্রথমে পায় ভারত। পঞ্চম মিনিটে তাদের দূর পাল্লার শট বিপদমুক্ত করে বাংলাদেশ। কিন্তু বল পান আশিক কুরুনিয়ান। তিনি বল দেন সুনীল ছেত্রীকে। বেঙ্গালুরু স্ট্রাইকারের ভলি সরাসরি গোলরক্ষক আশরাফুল ইসলাম রানা ধরেন।

১৩ মিনিটে ছেত্রীর দুর্বল হেড সহজে প্রতিহত করেন বাংলাদেশি গোলকিপার। চার মিনিট পর ভেকের শক্তিশালী হেড গোলপোস্টের ওপর দিয়ে চলে যায়। বাংলাদেশ দুর্দান্ত সুযোগ তৈরী করে ম্যাচের আধঘণ্টা পর।

৩১ মিনিটে মাঝমাঠ থেকে লম্বা পাস ধরে বক্সের মধ্যে গোলপোস্টের সামনে বল পান বিপলু আহমেদ। কিন্তু শট নেয়ার আগে আনাস এদাথোদিকা বল বিপদমুক্ত করেন।

৩৫ মিনিটে দারুণ সেভে ভারতকে হতাশ করেন রানা। ভেকের লম্বা থ্রো থেকে মানবীর হেড করেন, আঙুলের আলতো ছোঁয়ায় বল মাঠের বাইরে পাঠান বাংলাদেশি গোলকিপার। প্রথমার্ধের ৬ মিনিট আগে আনাসের কাছ থেকে ছেত্রীর হেড গোলরক্ষকের কাছে চলে যায়।

তবে বাংলাদেশ দুই মিনিট পর গোল উদযাপনে মাতে। জামাল ভূঁইয়ার ফ্রি কিক থেকে সা’দ উদ্দিনের হেড জড়ায় জালে।

বাংলাদেশ একাদশ: আশরাফুল ইসলাম রানা (গোলরক্ষক), রহমত মিয়া (ডিফেন্ডার), ইয়াসিন খান, রিয়াদুল হাসান, রায়হান হাসান, জামাল ভূঁইয়া (মিডফিল্ডার), বিপলু আহমেদ, সোহেল রানা, সাদ উদ্দিন (ফরোয়ার্ড) ও নাবিব নেওয়াজ জীবন।

এমবি