২০১৫ বিশ্বকাপে টানা দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে গত আসরের চ্যাম্পিয়ন ভারত। রোববার নিজিদের দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৩০ রানে জিতেছে তারা।

রোববার মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩০৭ রান করে টসজয়ী ভারত। জবাবে ৪০.২ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৭৭ রান সংগ্রহ করতে পারে চোকারখ্যাত দক্ষিণ আফ্রিকা।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে সাত রান করে মোহাম্মদ সামির বলে বিরাট কোহলির হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরে গেছেন ডি কক।

ওয়ানডাউনে মাঠে নামা ডুপ্লেসিসকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা ঘুরাতে চেষ্টা করেন হাশিম আমলা। কিন্তু মুহিত শর্মার বলে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে মোহাম্মদ সামির তালুবন্দী হন ২৩ রান করা আমলা।

৪০ রানের দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যাওয়া দক্ষিণ আফ্রিকার হাল ধরেন ডুপ্লেসিস ও ডি ভিলিয়ার্স। কিন্তু দলীয় ১০৮ রানে ডি ভিলিয়ার্সের রান আউটের মধ্যে দিয়ে তাদের উইকেটের ভাঙ্গন চূড়ান্ত আকার ধারণ করে। মাঠ ছাড়ার আগে ৩০ রান করেন ডি ভিলিয়ার্স।

এরপর হাফ-সেঞ্চুরি করে প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন ডুপ্লেসিস। কিন্তু ব্যক্তিগত ৫৫ রানে তাকে সাজঘরে পাঠান বোলার মুহিত শর্মা। দলের পক্ষে এটাই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর।

বাকিরা শুধু মাঠে আসা-যাওয়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনি। ফলে ১৭৭ রানেই গুটিয়ে যায় প্রোটিয়াদের ইনিংস।

ভারতের বোলার রবীচন্দ্র অশ্বিন তিনটি উইকেট পান। দুটি করে উইকেট পান মোহাম্মদ সামি ও মুহিত শর্মা। আর একটি উইকেট নেন রবীন্দ্র জাদেজা।

এর আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৯ রানে প্রথম উইকেট হারায় ভারত। ওপেনার রোহিত শর্মা রানের খাতা খোলার আগেই রান আউট হয়ে মাঠ থেকে বিদায় নেন।

তবে বিরাট কোহলিকে সঙ্গে নিয়ে রানের চাকা ঘুরাতে থাকেন উদ্বোধনী জুটির আরেক ব্যাটসম্যান শিখর ধাওয়ান। কোহলি ৪৬ রান করে আউট হলেও ব্যাট চালিয়ে যান ধাওয়ান। দেখতে দেখতে করে ফেলেন সেঞ্চুরি।

পারনেলের বলে আমলার হাতে ক্যাচ আউট হওয়ার আগে ১৩৭ রান করেছেন তিনি। ১৪৬ বলে ১৬টি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকিয়েছেন তিনি।

ধাওনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন আজিঙ্কায় রাহানে। ৬০ বলে ৭টি চার ও তিনটি ছক্কায় ৭৯ রান করে স্টেইনের বলে এলবিডব্লিউ'র ফাদেঁ পড়েন।

শেষ দিকে বেশ দ্রুতই কয়েকটি উইকেট হারায় ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার মর্নে মরকেল সর্বোচ্চ দুটি উইকেট পান। একটি করে উইকেট পান পারনেল, স্টেইন ও ইমরান তাহির।

জেডআই