অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি যেন ফাইনালের মতো হয়নি। বিশেষ করে পাকিস্তানের সমর্থকদের কাছে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ব্যাট হাতে ৫০ ওভারই খেলতে পারেনি পাকিস্তানের তরুণরা। বিপরীতে সুযোগটি বেশ ভালো ভাবেই কাজে লাগিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। পাকিস্তানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে তারা।
শনিবার দুবাইর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের ১৩১ রানের জবাবে ৪২.১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
দক্ষিণ আফ্রিকাকে এই জয় এনে দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন ওপেনার এইডেন মার্করাম। দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়ার আগে ১২৫ বলে ৬টি চারের সুবাদে ৬৬ রান করেন তিনি।
ওপেনিং জুটির ক্লাইড ফরচুন (১) ও ওয়ানডাউনে নামা জ্যাসন স্মিথ (৯) দ্রুত মাঠ থেকে বিদায় নিলেও মার্করামকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন গ্রেগরি ওল্ডফিল্ড। দলীয় ৯৯ রানে আউট হওয়ার আগে ৪০ রান করেছেন এই ব্যাটসম্যান। দলের রানের খাতায় আর মাত্র এক রান যোগ হতেই ইয়াসিন সাজঘরে ফিরে গেলেও ১৪ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন ব্রাডলি ডায়াল।
এর আগে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। উদ্বোধনী জুটিতে সামি ইসলাম ও ইমাম উল হক ২৩ রান করেন। ১২ রান করা ইমাম আউট হওযার পর ওয়ানডাউনে নামা হাসান রাজার সঙ্গে সামির ব্যাটে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩৯ রান। এরপর একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে তারা। এতে মাত্র ৭২ রানেই সাত উইকেট হারায় তারা।
তবে জাফর গোহারের সঙ্গে জুটি গড়ে তোলেন আম্মাদ বাট। ২২ রান করে জাফর আউট হলেও ৩৭ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন আম্মাদ। ২২ গজের এক প্রান্তে তিনি দাঁড়িয়ে থাকলেও অন্য প্রান্তে উইকেট হারায় পাকিস্তান। ফলে মাত্র ৪৪.৩ ওভারে ১৩১ রানে ইনিংস শেষ হয়ে যায় দলটির। দক্ষিণ আফ্রিকার বোলার ক্রবিন বচ সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেন।
খেলা
বিশ্বকাপ জিতল দক্ষিণ আফ্রিকার তরুণরা
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচটি যেন ফাইনালের মতো হয়নি। বিশেষ করে পাকিস্তানের সমর্থকদের কাছে। শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ব্যাট হাতে ৫০ ওভারই খেলতে পারেনি পাকিস্তানের তরুণরা।





