হারারাতে প্রথম ওয়ানডেতে ১৬৮ রানে অলআউট হয়ে জিম্বাবুয়ে হেরেছিল ৯ উইকেটে। দ্বিতীয় ম্যাচে ১২৬ রানে অলআউট হয়ে তাদের হার ৮ উইকেটে। একই মাঠে আজ তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতেও বাজে ব্যাটিংয়ের প্রদর্শনী দেখিয়ে জিম্বাবুয়ের ইনিংস গুটিয়ে গেল মাত্র ১২৩ রানে। ভারত সেটি পেরিয়ে গেল ১০ উইকেট হাতে রেখেই।

প্রথম দুই ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিং পেলেও আজ টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল জিম্বাবুয়ে। ১৯ রানে হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ফিরে গেলেও চামু চিবাবা ও ভুসি সিবান্দা স্বাগতিকদের পথ দেখাচ্ছিলেন। দলীয় ৫৫ রানে চিবাবার (২৭) বিদায়ের পর ৮৯ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন সিবান্দা (৩৮)।

ওই ৩ উইকেটেই ১০০ পেরিয়ে গিয়েছিল জিম্বাবুয়ের স্কোর। তখন মনে হচ্ছিল, আজ হয়তো সম্মানজনক একটা স্কোর গড়বে তারা। কিন্তু দলীয় ১০৪ রানে টিমাইসেন মারুমা (১৭) আউট হওয়ার পরই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপ। পরের টানা ৩ বলে নেই আরো ৩ উইকেট!

জাসপ্রিত বুমরাহ ৩৩তম ওভারের শেষ দুই বলে ফিরিয়ে দেন মারুমা ও এল্টন চিগুম্বুরাকে। পরের ওভারের প্রথম দুই বলে সাজঘরে ফেরেন ম্যালকম ওয়ালার ও গ্রায়েম ক্রেমার। ওয়ালার হয়েছেন রানআউট, ক্রেমারকে এলবিডব্লিউ করেছেন অক্ষর প্যাটেল।

এরপর দলীয় ১০৮, ১১০ ও ১২৩ রানে হারিয়েছে শেষ ৩ উইকেট। মাত্র ১৯ রানে পড়েছে শেষ ৭ উইকেট! পরের ব্যাটসম্যানদের মধ্যে দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন কেবল নেভিল মাদজিভা (১০*)।

১০ ওভারে মাত্র ২২ রান দিয়ে একটি মেডেনসহ ৪ উইকেট নেন পেসার বুমরাহ। ২ উইকেট নেন স্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল। একটি করে উইকেট জমা পড়েছে প্যাটেল ও ধবল কুলকার্নির ঝুলিতে।

জবাবে অভিষিক্ত ফাইজ ফজল ও লোকেশ রাহুলের ১২৬ রানের অবিচ্ছিন্ন উদ্বোধনী জুটিতে ১৬৯ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ভারত।

অভিষেকেই ফিফটি তুলে নিয়ে ৬১ বলে ৭ চার ও এক ছক্কায় অপরাজিত ৫৫ রান করেন ফজল। ৭০ বলে ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৬৩ রানে অপরাজিত ছিলেন সিরিজের প্রথম ম্যাচে অভিষেকে সেঞ্চুরি করা রাহুল। ম্যাচসেরা হয়েছেন বুমরাহ, সিরিজসেরা রাহুল।

একই মাঠে আগামী ১৮ জুন তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হবে ভারত ও জিম্বাবুয়ে। পরের দুই ম্যাচ যথাক্রমে ২০ ও ২২ জুন।

এফএফ