দিনের খেলারও মাত্র ৬ ওভারের মতো বাকি ছিল। দিনটা কাটিয়ে দিতে পারলে আধিপত্যটা যে এককভাবে বাংলাদেশের হাতেই থাকতো তাই শুধু নয়, সেঞ্চুরির উদযাপনটাও আরও একবার করতে পারতেন মুশফিকুর রহিম। তবে সেটি আর হলো। হ্যালমেট খুলে ব্যাট উঁচিয়ে ধরা থেকে হাতেগোনা ৮ কদম দূরে থাকতেই ফিরতে হলো তাকে।
চট্টগ্রাম টেস্টে মুমিনুল হকের সঙ্গে ২৩৬ রানের পার্টনারশিপ গড়ে দলীয় ৩৫৬ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৯২ রান করে লাকমালের বলে আউট হয়ে ফিরেছেন মুশফিক। যদিও দিনের প্রথম সেশন থেকেই একপ্রান্ত আগলে রেখে লঙ্কান বোলারদের একছত্রভাবে শাসন করেছেন মুমিনুল।
এদিন টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দারুন করেছিলেন তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। ব্যক্তিগত ৫২ রান করে তামিম দিলরুয়ান পেরেরার বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরলেও ভাগ্য বাম হওয়ায় দলীয় ১২০ রানে ব্যক্তিগত ৩৯ রানে ফিরেন ইমরুল। স্ট্যাম্পের উপর দিয়ে চলে যাওয়া সান্দাকানের বলটি ইমরুলের প্যাডে আলতো আঘাত হানলে লঙ্কানদের আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। রিভিউ না নেয়াটা যে ভুল ছিল ড্রেসিং রুমে ফিরে তা নিশ্চয় উপলব্দি করতে পেরেছেন ইমরুল।
তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে বলতে গেলে তামিম-ইমরুলের ফিরের যাওয়ার পর আরও শক্ত হয়ে ঘুরে দাঁড়ায় বাংলাদেশ। একপাশে মুশফিকের টেস্ট সূলভ ব্যাটিং চললেও এদিন সেঞ্চুরি তুলতে মাত্র ৯৬ বল খরচ করেন মুমিনুল। দেশে হয়ে তৃতীয় দ্রুততম টেস্ট সেঞ্চুরির রেকর্ডটাও ঝুলিতে পুড়েন তিনি।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৩৫৯ রান। মুমিনুল ১৭২ ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৮ রান নিয়ে ব্যাট করছেন।
এবিসিদ্দিক





