বাংলাদেশের অনভিজ্ঞ বোলিং আক্রমণের বিপক্ষে ঘাম ঝড়াতে হয়নি ব্রেথওয়েটের। শুধুমাত্র ক্রিজে থেকে ভালো বলগুলোকে সামলে নিয়ে রান করে যাচ্ছিলেন।
উইকেট থেকে সহায়তাও পাচ্ছিলেন। এ রকম স্লো উইকেটে ব্যাটিং করা যেকোনো ব্যাটসম্যানের জন্যেই আরামদায়ক। বোলাররা বাড়তি কোনো সুবিধা না পাওয়ায় খেটে মরেছে।
তবে আসল কাজটা করেছে ব্রেথওয়েটই। অসম ধৈর্য্যরে পরিচয় দিয়ে উইকেটে টিকে ছিলেন। অপেক্ষা করেছেন বাজে বলগুলোর। আর সেগুলোকেই মাঠে বাইরে পাঠিয়েছেন। সঙ্গে সিঙ্গেল, ডাবলস নিয়ে ধাপে ধাপে ক্যারিয়ারের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিটাও তুলে নেন এই ওপেনার।
ডাবল সেঞ্চুরি পেতে প্রায় নয় ঘণ্টা মাঠে ছিলেন ব্রেথওয়েট। এসময়ে মাত্র একবারের জন্যে নিজের পথ থেকে লক্ষ্যভ্রষ্ট হন । কিন্তু সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে পারেননি বাংলাদেশ।
ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় শতকের পর ব্যক্তিগত ১১৩ রানে মুশফিকের হাতে জীবন পান ব্রেথওয়েট। স্পিনার শুভাগত হোমের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন। কিন্তু বল তালুবন্দি করতে পারেননি টাইগার দলপতি।
প্রথম দিন ১২৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। দ্বিতীয় দিন আরো ৮২ রান যোগ করেন । তবে বাউন্ডারি থেকে সিঙ্গেল রান ও ডাবলস নিয়ে খেলতে পছন্দ করেন ব্রেথওয়েট। ডাবল সেঞ্চুরির ইনিংসে ব্রেথওয়েটের ব্যাট থেকে আসে মাত্র ১৪টি বাউন্ডারি। ছিল না কোনো ছক্কার মার।
শনিবার দিনের শেষ পর্যন্ত ক্রিজে থেকে ২০৫ রানে অপরাজিত থাকেন । ৪৩৭ বলে ম্যারাথন ইনিংসটি সাজান ডানহাতি এই ক্যারিবীয়ান। তার ইনিংসের ভর করে রানের পাহাড়ের নিচে চাপা পড়েছে বাংলাদেশ। মাত্র ৩ উইকেটে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৪০৭ রান।
ঢাকা, ৭ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই





