লাঞ্চ বিরতির পরও আফগানিস্তানকে পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি বাংলাদেশের স্পিনাররা। টাইগারদের সাদামাটা বোলিংয়ে রানের গতি বাড়িয়ে চলছে সফরকারীরা। ফলে চট্টগ্রাম টেস্টে বড় লিডের পথে রশিদ খানের দল।
এই রিপোর্ট লেখার সময় আফগানিস্তানের সংগ্রহ সাত উইকেটে ২১০ রান। উইকেটে আছেন ইব্রাহিম জাদরান ও আসগর আফগান। তাতে লিড ৩৩৭ রানের। হাতে আছে তিন উইকেট।
আফগানিস্তানের ৩৪২ রানের জবাবে প্রথম ইনিংসে ৭০.৫ ওভার খেলে ২০৫ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। ফলে ১৩৭ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয়বার ব্যাটিংয়ে নামে রশিদ খানের দল।
আফগানদের দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেই দুই উইকেট তুলে নেন সাকিব। প্রথম ওভারে পরপর দুই বলে ফিরিয়ে দেন ইহসানউল্লাহ ও রহমত শাহকে।
ব্যাট করতে নেমে ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি মারেন ইহসানউল্লাহ। পরের বলটি ডট। কিন্তু তৃতীয় বলে আর রক্ষা পেলেন না। এলবির ফাঁদে পড়ে বিদায় নেন চার রানে। পরের বলে আবারও সাকিবের আঘাত। এবারের শিকার আগের ইনিংসে ইতিহাস গড়া সেঞ্চুরি করা রহমত শাহ। সেঞ্চুরিয়ান রহমত ফিরে যান গোল্ডেন ডাকে।
তৃতীয় উইকেটে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে আফগানিস্তান। ইব্রাহিম জাদরান আর হাসমতউল্লাহ মিলে ২৪ রান যোগ করেন। শেষ পর্যন্ত এই জুটি ভাঙেন নাইম। তরুণ এই অফস্পিনারের বলে ডিফেন্স করতে গিয়ে প্রথম স্লিপে সৌম্য সরকারকে ক্যাচ দিয়েছেন শাহেদি (১২)।
এর আগে ১৯৪ রান নিয়ে তৃতীয় দিন ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। ওভারের তিন নম্বর বলে বাজে এক শটে বোল্ড তাইজুল ইসলাম। এরপর নাঈমকে এলবির ফাঁদে ফেলে টেস্ট ক্রিকেটে নিজের পঞ্চম উইকেট তুলে নেন রশিদ খান। তৃতীয় দিনে আর ১১ রান যোগ করে ২০৫ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। ইনিংস শেষে ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন মোসাদ্দেক হোসেন।
আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে পাঁচ উইকেট নেন রশিদ। তিনটি উইকেট নেন মোহাম্মদ নবি। সমান একটি করে উইকেট নেন কায়েস আহমেদ ও ইয়ামিন।
এমআর





