সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের হাফ সেঞ্চুরী করেছে। বিপর্যয়ের মুখে পড়া বাংলাদেশের হাল ধরেছেন দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম। এই দুই ব্যাটসম্যান আফগানিস্তানের বিপক্ষে বড় সংগ্রহের আশা জাগিয়েছেন বাংলাদেশ শিবিরে।

সৌম্য-রিয়াদ প্রাথমিক বিপর্যয় সামলা দিয়েছিলেন। তবে বড় জুটি গড়তে পারেননি তারা। ৪০.৫ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান ৪ উইকেটে ২০৪। পর পর দুই ওপেনার আউট হওয়ার পর বাংলাদেশের রান আটকে ফেলেছিল আফগানিস্তান।

এক পর্যায়ে ২০ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছিল ২ উইকেটে ৬৭ রান। সেখান থেকেই সৌম্য-রিয়াদে রানে ফিরেছিল টাইগাররা। কিন্তু দারুণ ব্যাটিংয়ের আশা জাগিয়ে সৌম্য ২৫ বলে ২৮ রানের এক ঝরো ইনিংস খেলে এলবিডাব্লিউর শিকার হয়েছেন।

সৌম্য-রিয়াদ জুটি ৯.১ ওভারে ৫০ রানের জুটি গড়েছেন। সৌম্যৗ আউট হওয়ার পর রিয়াদও বেশিক্ষণ ক্রিজে থাকেননি। ব্যক্তিগত ২৩ রানে (৪৬ বলে) আফগানিস্তানের শাপুর জর্দানের বলে কট বিহাইন্ড হয়েছেন রিয়াদ। উইকেটে ব্যাটিং করছেন দুই নির্ভরযোগ্য ব্যাটসম্যান সাকিব ও মুশফিকুর রহিম।

অনেকটা ধীরগতির সূচনা করেছিলেন তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়। এতে রান তোলার চাপ তৈরি হয় তাদের ওপর। সেই চাপ কাটাতে মারমুখি হওয়ার আগেই ২ ওপেনারকে ফিরিয়ে দিয়েছেন আফগান বোলাররা। ২টি উইকেটই নিয়েছেন মিডিয়াম পেসার মিরওয়াইস আশরাফ। ৪২ বল থেকে ১৯ রানে তামিম ও ৫৫ বল থেকে ২৯ রানে এনামুল ফিরে গেছেন।

এর আগে বুধবার সকালে সকালে এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে টস ভাগ্যে জিতে ব্যাটিং নিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি মর্তুজা। কিন্তু প্রাথমিকভাবে সেই সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা প্রমাণ করতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা।

উল্লেখ্য, এর আগে এশিয়ান কাপে ১টি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ। ওই ম্যাচে মুশফিক বাহিনীকে ৩২ রানে হারিয়ে চমক দেখিয়েছিলেন আফগানরা। এর মধ্যে দিয়ে বড় কোনো প্রতিযোগিতায় প্রথমবারের মতো জয়ের স্বাদ নিয়েছিলেন নবীরা।

বাংলাদেদেশের একাদশ

মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহঅধিনায়ক), তামিম ইকবাল, এনামুল হক বিজয়, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার, সাব্বির রহমান, তাসকিন আহমেদ ও রুবেল হোসেন।

আফগানিস্তানের একাদশ

মোহাম্মদ নবী, নওরোজ মঙ্গল, আসগার স্টানিকজাই, সামিউল্লাহ শেনওয়ারি, আফসার জাজাই (উইকেট রক্ষক), নজিবুল্লাহ জাদরান, মিরওয়াইস আশরাফ, হামিদ হাসান, শাপুর জাদরান, আফতাব আলম ও জাভেদ আহমাদি।

এএইচ