শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। সেই ম্যাচে মাত্র দুই রানের জন্য হেরে গিয়েছিল তারা। তাই দ্বিতীয় ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন মাশরাফি। কিন্তু লংকানদের বোলিং তোপে শুরু থেকেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারের এক বল হাতে থাকতেই ১২০ রানে অল আউট হয়ে যায় তারা।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী জুটিতে ব্যাট হাতে ক্রিজে আসেন তামিম ইকবাল ও শামসুর রহমান। কিন্তু ওপেনিং ওভারে দিলশানের পঞ্চম বলে চান্দিমালের হাতে ক্যাচ তুলে দেন শামসুর (১)। দলীয় তিন রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশের প্রত্যাশাটা বেশি চলে যায় তামিমের উপর। কিন্তু লংকানদের চলতি সফরে নিজের ব্যর্থতার লাইনটি আরো দীর্ঘ করলেন এই ব্যাটসম্যান। দলের রানের খাতায় আর কোনো রান যোগ না হতেই দ্বিতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে কুলসেকারার বলে মেন্ডিসের তালুবন্দী হন তিনি।
এরপর এনামুল ও সাকিব ঝড়ো ব্যাটিং শুরু করেন। কিন্তু ছয় বলে মাত্র ১২ রান করে সচিত্রা সেনানায়েকে বলে কুলসেকারার হাতে ক্যাচ আউট হন সাকিব। এরপর সচিত্রার বলেই এনামুল (২৪) আউট হলে পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় চার উইকেটে ৪১ রান।
বাকিরা শুধু ক্রিজে আসা যাওয়া ছাড়া আর কিছুই করতে পারেননি। তবে দলের হাল ধরার করেন সাব্বির রহমান। ১৯.৫ ওভারে মালিঙ্গার বলে কুলসেকারার হাতে আউট হন তিনি। মাঠ ছাড়ার আগে ৩৬ বল খেলে মাত্র ২৬ রান করেছেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান। এছাড়া ১০ বলে মাশরাফির ১৭ রানই উল্লেখযোগ্য।
শ্রীলঙ্কার বোলার মালিঙ্গা সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পান। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন সচিত্রা সেনানায়েক ও কুলসেকারা।