রাজধানীর আরামবাগ ক্রীড়াসংঘকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে এক বছরের জন্য দেয়া নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
সোমবার এক রিট আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরি ও বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বাফুফের দেয়া সিদ্ধান্ত ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন।
একইসঙ্গে এ সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুলও জারি করেছেন। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যুব ও ক্রীড়া সচিব, বাফুফের সাধারণ সম্পাদকসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট শাহ মো. মুনির হোসেন ও অ্যাডভোকেট এম নুরুল আলম। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাফস কুমার বিশ্বাস সাংবাদিকদের জানান, আদালত বাফুফের রায় স্থগিত করেছেন। ফলে আরামবাগ ক্রীড়াসংঘকে জরিমানা দিতে হবে না। খেলায় অংশ নিতে তাদের আর কোনো বাধা নেই।
প্রসঙ্গত গত ২২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে পুলিশ অ্যাথলেটিকের কাছে হেরে যায় আরামবাগ ক্রীড়াসংঘ। পরে আরামবাগের সমর্থকরা লাইন্সম্যানকে পিটিয়ে আহত করেন। রেফারিকেও মারতে যান তারা। পরে ৪০-৫০ জনের একটি দল বাফুফে ভবনে হামলা চালিয়ে কাচের দরজা-জানালা ভাংচুর করে।
এ ঘটনায় বাফুফের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়। এছাড়া গত বৃহস্পতিবার আরামবাগ ক্রীড়াসংঘকে ৩০ লাখ টাকা জরিমানা করে বাফুফে। অনাদায়ে আগামী এক বছর কোনো খেলায় তাদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।
বাফুফের এ সিদ্বান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আজ আরামবাগ ক্রীড়াসংঘের সাধারণ সম্পাদক এজাজ মো. জাহাঙ্গীর হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। শুনানি শেষে আদালত বাফুফের সিদ্ধান্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন।
এআই





