সেই ১৯৯০ সালে সর্বশেষ আর্জেন্টিনাকে সেমিফাইনালে নিয়েছিল ডিয়াগো ম্যারাডোনা। এর দুই যুগ পর ২০১৪ সালে লাতিন দেশটিকে সেমিফাইনালে নিল মেসির দল।
ম্যারাডোনার সঙ্গে মেসিকে প্রায়ই তুলনা করা হয়। এবার বিশ্বকাপে সেই তুলনাটা আরো বেশি মাত্রায় করা হচ্ছে। তাই দেখে আসা যাক মেসি-ম্যারাডোনার কৃতিত্ব। দেশের হয়ে খেলা উভয়ের ম্যাচ সংখ্যা ৯১। মেসির গোল ৪২, ম্যারাডোনার ৩৪।
ম্যারাডোনা-১৯৮২, ১৯৮৬, ১৯৯০, ১৯৯৪
বিশ্বকাপ ম্যাচ-২১
বিশ্বকাপ গোল-৮ (সহায়তা-৮)
স্পর্শ-১৪৬৮(১৮৩.৫ স্পর্শ/গোল)
সর্ব নিম্ন খেলা-২০০৭(২৫০.৯ মিনিট/গোল)
গোল পোস্টে শট-২৬(৪৪.১% অন টার্গেট)
শট গড় দুরত্ব-২১.৭ গজ (০গোল বক্সের বাইরে)
মোট শট-৫৯ (৩০.৮% গোল বার লক্ষ্য করে।)
মেসি-২০০৬, ২০১০, ২০১৪
বিশ্বকাপ ম্যাচ ১৩
বিশ্বকাপ গোল-৫ (সহায়তা ৩)
স্পর্শ-৮৯১(১৭৮.২ স্পর্শ/গোল)
সর্ব নিম্ন খেলা-১০৪২(২০৮.৪ মিনিট/গোল)
গোল পোস্টে শট-২১(৪২.৯% অনটার্গেট)
শট গড় দুরত্ব-২২.১ গজ (৩ গোল বক্সের বাইরে)
মোট শট-৪৯ (২৩.৮%গোল বার লক্ষ্য করে।
বিশ্বকাপ গোলের গড় দূরত্ব-
ম্যারাডোনা-১১.৩ গজ
মেসি-২২.৪ গজ
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ পারফরমেন্স-
ম্যারাডোনা ‘৮৬ বনাম মেসি ‘১৪
গোল- ম্যারাডোনা (৫)-মেসি (৫)
সহায়তা-ম্যারাডোনা (৪)-মেসি (১)
দলের গোল-ম্যারাডোনা (১৪)-মেসি (৮)
দলীয় গোলে অবদান-ম্যারাডোনা (৭১.৪%)-মেসি (৬২.৫%)
বিশ্বকাপ শিরোপা- ম্যারডোনা (১)-মেসি (০)
আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ-
১. জেভিয়ার জানেত্তি-১৪৫
২. রবার্তো আয়ালা-১১৫
৩. দিয়াগো সিমিওনে-১০৬
৪. জেভিয়ার মাচেরানো-১০৩
৫. অস্কার রুগেরি-০৭
৬. লিওনেল মেসি-৯১
৭. ডিয়াগো ম্যারাডোনা-৯১
৮. এরিয়েল ওর্তেগা-৮৭
৯. গাব্রিয়েল বাতিস্তুতা-৭৮
১০. হুয়ান পাবলে সোরিন-৭৬
ঢাকা, ৮ জুলাই (টাইমনিউজবিডি.কম) //জেডআই
খেলা
এক নজরে ম্যারাডোনা বনাম মেসি
সেই ১৯৯০ সালে সর্বশেষ আর্জেন্টিনাকে সেমিফাইনালে নিয়েছিল ডিয়াগো ম্যারাডোনা। এর দুই যুগ পর ২০১৪ সালে লাতিন দেশটিকে সেমিফাইনালে নিল মেসির দল।





