দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম-সৌম্যের জুটিটা আজ এগোতে পারেনি বেশিদূর। মাত্র ৮ ওভার ৩ বলের মাথায় ৪৫ রানে থেমে যায়। সৌম্য সরকারকে ২৫ রানে বোল্ড করে ফেরান ম্যাট হ্যানরি।
এরপর সাকিব-তামিমের দুই নম্বর জুটিটাও থামে মাত্র ১৫ রান নিতেই। তামিমকে ২৪ রানে ফেরান লকি ফার্গুসন।
দুই উদ্বোধনীর বিদায়ের আবারও ভরসা হয়ে দাঁড়ান গত ম্যাচের দুই নায়ক মুশফিকুর রহিম আর সাকিব আল হাসান। ১৩ ওভার ২ বলে দলীয় ৬০ রানে যখন ২ উইকেট নেই তখন ধাক্কাটা ভালোভাবেই সামলে নিচ্ছেন সাকিব-মুশফিক।
দুজন মিলে পার করেছেন দলীয় শত রান। কিন্তু মুশফিকের ইনিংসটা যায়নি বেশিদূর। রান আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন মাত্র ১৯ রানে।
এরপর সাকিব খেলছিলেন গত ম্যাচের মতোই। প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শতক না পাওয়ার আফসোস থেকে গেলেও আজ তার ব্যাটে আশা দেখাচ্ছিল শতকের।
খেলছিলেন ঠিকঠাক। পঞ্চাশ পূর্ণ করেন ৫৪ বলে। কিন্তু আজও হয়নি! সাকিবকে থামতে হয় ৬৪ রানের মাথায়। কলিন ডি গ্রান্ডওমের বলে উইকেট রক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের দলীয় রান ৩৩ ওভার শেষে ১৬১ রান, ৪ উইকেট হারিয়ে।
উল্লেখ্য এই ম্যাচে খেলতে নেমে তৃতীয় বাংলাদেশি হিসেবে ওয়ানডেতে ২০০ ম্যাচ খেলার মাইলফলক ছুঁলেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
বাংলাদেশের হয়ে এখনো পর্যন্ত ১৯৯টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন সাকিব। এর মধ্যে ব্যাটিংয়ে ৩৫.৯৮ গড়ে ৭ শতক ও ৪৩ অর্ধ-শতকে ৫৭৯২ রান করেছেন তিনি। এছাড়া বল হাতে ৪.৪৫ ইকোনমি রেটে ২৫০টি উইকেট নেন এই অলরাউন্ডার। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ৪৭ রানে ৫ উইকেট নেয়া ফিগারটি তার সেরা বোলিং ফিগার।
সাকিবের আগে বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ২০০ ওয়ানডে ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শ করেন মাশরাফি বিন মর্তুজা (২০৮টি) এবং মুশফিকুর রহীম (২০৬টি)।
জেড





