না! অবশেষে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেও তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে আফগানিস্তানের কাছে ১ রানে পরাজিত হয়ে হোয়াটওয়াশ হলো সাকিব আল হাসানরা।
শেষ ৬ ওভারে দরকার ছিলো ৬০ রান। ব্যাট করছিলেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ এবং মুশফিকুর রহিম। তখনও তিন ওভার বাকি সিরিজের সফলতম বোলার রশিদ খানের। শেষ দিকে আফতাব আলম, করিম জানাতদের বলে পুষিয়ে নিলেও রশিদকে কার্যকরভাবে মোকাবেলা করতে পারেননি মাহমুদুল্লাহ-মুশি।
শেষ ওভারে জয়ের জন্য টাইগারদের দরকার ছিলো ৯ রান। রশিদের প্রথম বলেই ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন আগের ওভারে পাঁচ ৪মারা মুশফিক। শেষ বলে দরকার ৪, এমন সমীকরণে ঠিকই লং অনে ঠিকই হাঁকিয়েছিলেন আরিফুল। তবে শফিকুল্লাহ'র দুর্দান্ত ফিল্ডিং শেষ পর্যন্ত টাইগারদের হোয়াইটওয়াশ নিশ্চিত করে।
আবারও ট্রাজেডিক হিরো হয়ে থাকলেন ৪৫ রানে রানআউট হওয়া মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
শুরু থেকেই ছন্নছাড়া টাইগারদের ব্যাটিং। এদিনও ফ্লপ তামিম ইকবাল। প্রথম দুই ম্যাচের নিজের ছায়া হয়ে থাকা দেশের সফলতম ব্যাটসম্যান ফিরলেন মাত্র ৫ রানে। তৃতীয় উইকেটে নামা সৌম্য সরকার পড়লেন রানআউটের ফাঁদে। দলের বিপদ আরও ঘনীভূত করলো লিটন-মুশফিকের ভুল বুঝাবুঝি। রান আউট হয়ে ফিরতে হলো লিটনকে (১২)।
করিম জানাতের বলে সেনওয়ারির হাতে সাকিব (১০) ক্যাচ দিয়ে ফিরলে জয়টা দূর্বিণ দিয়েই দেখতে হচ্ছিলো বাংলাদেশের।
বৃহস্পতিবার (০৭ জুন) টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশকে ১৪৬ রানের টার্গেট দেয় আফগানিস্তান।
ইনিংসের ৫০ রানের সময় আম্পায়ারের ভুল সিদ্ধান্ত আসে বাংলাদেশের পক্ষে। শাহজাদের বল গ্লাভসে লাগার পরেও নাজমুল হাসান অপুর এলবিডব্লিউ আবেদনে সাড়া দেন আম্পায়ার। এরপর দ্রুতই আরেক ওপেনার উসমান ঘানিকে (১৯) ফেরান আবু জায়েদ রাহি। অধিনায়ক আসগর স্তানিকজাই ১৭ বলে করেন ২৭ রান। সুবিধা করতে পারেননি মুহাম্মদ নবী। মাত্র ৩ রানে তাকে মাহমুদুল্লাহ'র তালুবন্দ্বী করান রাহি।
শেষ দিকে সামিউল্লাহ সেনওয়ারীর ২৫ বলে খেলা ৩১ রানের ইনিংসে লড়াইয়ের পুঁজি পায় আফগানরা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
আফগানিস্তান: ১৪৫/৬ (শাহজাদ ২৫, স্তানিকজাই ২৭, সেনওয়ারী ৩১; নাজমুল ইসলাম ১৮/২, আবু জায়েদ ২৭/২)।
বাংলাদেশ: ১৪৪/৬ (মুশফিক ৪৬, মাহমুদুল্লাহ ৪৫; মুজিব ২৫/১, রশিদ ২৪/১)।
আফগানিস্তান ১ রানে জয়ী।
এমবি





